মৌলভীবাজারে ৩ চোর গ্রেপ্তার, ৫টি মোটরসাইকেল উদ্ধার

প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫

মৌলভীবাজারে ৩ চোর গ্রেপ্তার, ৫টি মোটরসাইকেল উদ্ধার

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এ অভিযানে চুরি যাওয়া একটি রয়্যাল এনফিল্ডসহ মোট ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর থানার আগরপুর পূর্বপাড়ার ছানা বাবু ওরফে অজিত দাসের ছেলে বাপ্পী দাস ওরফে বাপ্পী সরকার ওরফে সাগর (৩৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার জালালপুর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে তোফাজ্জল ওরফে তাফাজ্জুল হোসেন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার সাতগাঁও-চান্দুরা গ্রামের মো. সামসু মিয়ার ছেলে মো. বাবুল হোসেন।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ আগস্ট রাতে মৌলভীবাজার শহরের গীর্জাপাড়া এলাকা থেকে মাহবুব হাসানের ভাড়াবাসা থেকে একটি রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেল চুরি হয়। এ ঘটনায় বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপস) নোবেল চাকমা এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খয়েরের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই জয়ন্ত সরকার, এসআই হিরন কুমার বিশ্বাস, এসআই উৎপল সাহাসহ একটি টিম প্রায় ৪৭টি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে চক্রের মূলহোতাসহ সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে।

গত ২৮ আগস্ট রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানাধীন চান্দুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর থানার আগরপুর পূর্বপাড়ার ছানা বাবু ওরফে অজিত দাসের ছেলে বাপ্পী দাস ওরফে সাগর (৩৫)-কেগ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুই আসামি তোফাজ্জল ওরফে তাফাজ্জুল হোসেন এবং মো. বাবুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। বাবুল হোসেনের হেফাজত থেকে একটি চোরাই পালসার মোটরসাইকেলও উদ্ধার করে পুলিশ।

পরবর্তীতে আসামিদের দেওয়া তথ্যমতে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার পলতাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন পটলের ছেলে সোহানের বাড়ি থেকে মামলার চোরাই রয়্যাল এনফিল্ডসহ আরও তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। আদালতের নির্দেশে আসামিদের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই স্থান থেকে আরও একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত মোট ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার পলতাকান্দা গ্রামের সোহানের কাছে বিক্রি করে আসছিল। তাকে গ্রেফতার কাজ চলছে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট