আবারও হকারমুক্ত হচ্ছে সিলেটের সড়ক, প্রস্তুত সিসিক

প্রকাশিত: ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২৪

আবারও হকারমুক্ত হচ্ছে সিলেটের সড়ক, প্রস্তুত সিসিক

প্রতিদিন সিলেটের সড়ক দখল করে ব্যবসা নিয়ে বসছে অসংখ্য ভাসমান ব্যবসায়ী। সাবেক দুই মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর প্রচেষ্টায় নগরীর লালদিঘিরপার হকার্স মার্কেটে তাদের পুণর্বাসন করা হয়েছিল। বিশেষ করে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পরপরই সিলেটের সড়কগুলো পরিস্কার ও হকারমুক্ত হয়েছিল। লালদিঘিরপারে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির পর সেখানেই বসতে শুরু করেছিলেন ভাসমান ব্যবসায়ীরা।

তবে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই আবারও সিলেটের সড়কে হকারদের রাজত্ব শুরু হয়।

কিনব্রিজের উত্তরপ্রান্ত থেকে শুরু করে বন্দরবাজার-জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা-আম্বরখানা, লামাবাজার, তালতলা, সোবহানীঘাট সহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব রাস্তা এবং ফুটপাতই দখল করে পুরানো দিনের মতো ব্যবসা শুরু করেন তারা। পেঁয়াজ রসুন থেকে তরকারি, ফলমুল এবং কাপড়চোপড় ব্যবসায়ীসহ আরও নানা পণ্যের ভাসমান ব্যবসায়ীরা।

এর কারণও আছে। মেয়র আত্মগোপনে চলে যান, আবার পুলিশ প্রশাসনও কিছুদিন ছিল একেবারেই নিস্ক্রিয়। এখন অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। সিসিকসহ দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের বরখাস্ত করে প্রশাসক নিয়োগ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিকী, এনডিসি। এরপর আস্তে আস্তে সচল হতে থাকে সিসিক’র নাগরিক সেবা কার্যক্রম।

তারই ধারবাহিকতায় এবার নগরীর সড়কগুলো জঞ্জালমুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। হকারদের সড়ক ছাড়তে হচ্ছে। তাদের যেতে হবে নির্ধারিত লালদিঘিরপার হকার্স মার্কেটে।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আর কেউ সড়কে বা ফুটপাতে থাকতে পারবেনা। এ আদেশ অমান্য করে সড়কে বা ফুটপাতে কেউ ব্যবসা বাণিজ্যের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আর এই সিদ্ধান্ত যে কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে তা নিশ্চিত করেছে সিসিক সূত্র।

এ ব্যাপারে সিলেট নগরীর সব হকার এবং ক্রেতা সাধারণকে সচেতন করতে বুধবার থেকে নগরজুড়ে মাইকিং করাও শুরু হয়েছে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট