খুলে দেওয়া হয়েছে জাফলং ও রাতারগুল পর্যটন স্পট

প্রকাশিত: ৬:১৯ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২৪

খুলে দেওয়া হয়েছে জাফলং ও রাতারগুল পর্যটন স্পট

ট্যুরিস্ট স্পটে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর ও নৌকার মাঝি সকলকে নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করার শর্তে রোববার (২৩ জুন) দুপুর একটা থেকে জাফলং ট্যুরিস্ট স্পট, রাতারগুল স্পট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এরআগে পর্যটক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকা সাপেক্ষে উপজেলা পর্যটন কমিটি জাফলং ট্যুরিস্ট স্পট চালু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে গত ২১ জুন এবং ২২ জুন দুই দফা জাফলং ট্যুরিস্ট স্পট সরেজমিনে পরিদর্শন করেন গোয়াইনঘাটের সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের একটি একটি টিম।

এছাড়া গোয়াইনঘাট থানা, ট্যুরিস্ট পুলিশ টিম এবং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।

জাফলং পর্যটন স্পটে নৌ-চলাচলের রুটে যাত্রীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় সকল বোট মালিক, নৌ চালক-মাঝিদেরকে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট এর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

জাফলংয়ে পিয়াইন নদীর পানির গভীরতা ও স্রোত বিবেচনাহ সাঁতার জানে না এবং ১২ বছরের কম বয়সীদের নিয়ে জাফলং ট্যুরিস্ট স্পটে নৌকায় চলাচল করা যাবে না। ট্যুরিস্ট পুলিশকে পর্যটন স্পটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিধানের জন্য বলা হয়েছে।

জাফলং নদীর পানির পরিমাণ ও স্রোত বিবেচনায় গত দুই দিন (২১-২২ জুন) পর্যটন স্পট চালু করার জন্য পর্যটন ব্যবসায়ী, নৌকা চালক-মালিক, ট্যুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বলেন গোয়াইনঘাট উপজেলার সবকটি পর্যটন কেন্দ্রে সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল কয়েক দফা পরিদর্শন করেন।

জাফলং পর্যটন স্পটে নৌ-চলাচলের রুটে যাত্রীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় সকল বোট মালিক, নৌ চালক-মাঝিদেরকে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

জাফলংয়ে পিয়াইন নদীর পানির গভীরতা ও স্রোত বিবেচনাহ সাঁতার জানে না এবং ১২ বছরের কম বয়সীদের নিয়ে জাফলং ট্যুরিস্ট স্পটে নৌকায় চলাচল করা যাবে না।

ট্যুরিস্ট পুলিশকে পর্যটন স্পটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিধানের জন্য বলা হয়েছে। উল্লিখিত সর্তসাপেক্ষ সবকটি পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে।

এরআগে গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন এর নির্দেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে, গত ৩০ মে বন্যা পরিস্থিতির জন্য প্রথম দফায় পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ‍উপজেলা পর্যটন উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়কগন। পরবর্তীতে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে গত ৭ জুন থেকে পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট