করোনা মোকাবিলায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি : আলম খান মুক্তি

প্রকাশিত: ৮:৫৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২০

করোনা মোকাবিলায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি : আলম খান মুক্তি

১৮ এপ্রিল ২০২০, শনিবার : করোনাভাইরাসের আতঙ্কে যখন সারা দেশ লক ডাউন, তখন ঘরবন্দি মানুষ অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে। তখন এসব অসহায় ঘরবন্দি মানুষের জন্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে ২য় দিনের মতো মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সিলেট মহানগর যুবলীগ। ১৮ এপ্রিল শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টে অসহায় মানুষের মধ্যে এসব সবজি তুলে দেন সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার।

এসময় সিলেট মহানগর যুবলীগ সভাপতি আলম খান মুক্তি বলেছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ। দেশের এমন পরিস্থিতিতে বিত্তবানদের সহায়তার হাত বাড়াতে হবে। দিন এনে দিন খায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক বিপর্যয়ে দেশের প্রতিটি মানুষের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। মানুষের সংহতি, ভ্রাতৃত্ব ও মমত্ববোধ অর্থনৈতিক দুরবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে দারিদ্র পীড়িতদের।

আলম খান মুক্তি স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অস্বচ্ছল মানুষকে খাদ্যদ্রব্য বিতরণে সামর্থবানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

যুবলীগ সভাপতি হতদরিদ্র মানুষকে সাধ্যমত সহায়তা করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতিও আহবান জানিয়েছেন।

সিলেট মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার বলেন, অনেকের ঘরে চাল থাকলেও সবজি নেই। করোনার কারনে অসহায় অবস্থায় থাকা মানুষের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বিতরণ করছি আমরা। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কর্মহীন মানুষেরা খাবার সংকটে পড়েছেন। এ কারণে মানবতার সবজির বাজার থেকে তারা বিনামূল্যে ইচ্ছামত সবজি নিতে পারছেন তারা।’ অসচ্ছল ও যাদের কেনার সামর্থ্য নেই এমন প্রত্যেক পরিবারকে প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি সরবরাহ করছি। মুশফিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের এ কার্যক্রম চলমান থাকবে, মানুষকে বাসা থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, অনেকে আর্থিকভাবে কষ্টে আছেন। তাদের কথা চিন্তা করে সিলেট মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ আমরা গ্রহন করেছি। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের আহবানে করোনা আতঙ্ক যতদিন থাকবে, আমাদের সাধ্যমতো নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই কাজে সহায়তা করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ওমহানগর যুবলীগ নেতা ফাইয়াজ খান সলিট, এমদাদ হোসেন ইমু, মোঃ আফজল হোসেন, সেবুল আহমদ সাগর, রুহুল আমিন, সাকারিয়া হোসেন শাকির, আমিনুল ইসলাম আমিন,আকিল আহমদ, অনুজ তালুকদার, মাহবুবুর রহমান সহ আরো অনেকে।

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট