জগন্নাথপুরের নোয়াগাঁওয়ে হামলায় চোখ হারালেন আখলিছ ও সমছু মিয়া

প্রকাশিত: ১০:৩৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৬

Manual1 Ad Code

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে পতিপক্ষের হামলায় আহত আখলিছ ও সমছু মিয়া মচ্ছুলের চোখ বিনষ্ট হয়ে গেছে। তাদের উভয়ের বাম চোখ খোলে ফেলা ছাড়া বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। আহতরা বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে হামলাকারীরা পাল্টা মামলাসহ নানাভাবে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ করেছেন আহতদের স্বজনরা। তারা অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।

গত ৮ জুলাই পূর্ব বিরোধের জের ধরে নোয়াগাঁও ও কান্দার গাঁওয়ের টুনু মিয়া, মুহিত, আলকাব মিয়া, শেরাটন, রাসেল, কাইয়ুম, আব্দুল আলি, মুকুল, গাজিসহ একদল লোক প্রতিপক্ষ আব্দুল কুদ্দুছ ও তার স্বজনদের উপর হামলা করে। হামলাকালে দেশীয় অস্ত্র ছাড়াও তারা গুলি ছুড়ে। গুলি ও সুলফির আঘাতে আখলিছ মিয়া ও সমছু মিয়া মচ্ছুলের চোখ নষ্ঠ হয়ে যায়। তারা বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ সেলিমকে সিলেট থেকে ঢাকার মহাকালী বক্ষ্য ব্যাধি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

Manual3 Ad Code

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. রফিকুজ্জামান খান জানান, আখলিছ মিয়ার একটি চোখ ফেলে দিতে হবে। মচ্ছল মিয়ার রেটিনায় সমস্যা রয়েছে। এখনও বলা যাচ্ছে না চোখটি রাখা যাবে কি না।

Manual6 Ad Code

নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছ জানান, হামলাকারীরা ২০১৫ সালের ১২ জুলাই গ্রামের নিরীহ লোকজনের উপর, চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি পুলিশের উপর হামলাসহ বিভিন্ন সময়ে হামলা ও মামলা করে শান্ত গ্রামকে অশান্ত করছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এসল্ট মামলাও (নং ১৩ (১)১৬) রয়েছে। তিনি জানান, হামলা-মামলার পরও ওই চক্রটি বিভিন্ন অনলাইল পত্রিকা, ফেসবুক, ইন্টারনেটে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি মো. মুরসালিন জানান, অভিযুক্ত যেই হোক তাকে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ আসামী ধরতে তৎপর রয়েছে। অনলাইল, ফেসবুক, ইন্টারনেটে অপপ্রচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা তদন্তে প্রভাব ফেলবেনা। আজকাল যা ইচ্ছা হয় তাই স্ট্যাটাস বা লিংক দেওয়া হয়। এটা ঠিক নয়।

Manual7 Ad Code

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code