ভোট চাওয়া নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ১৫

প্রকাশিত: ৬:৩১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

ভোট চাওয়া নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ১৫

Manual5 Ad Code

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে জামায়াতের ইউনিয়ন আমিরসহ ১০ জন ও বিএনপির ৫ কর্মী আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর আহত জামায়াতের দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় একে অপরকে দুষছেন দুই দলের নেতাকর্মীরা।

জামায়াতের আহতদের মধ্যে রয়েছেন- টগবী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল হালিম, কর্মী ফয়জুল্লাহ, ইমন, শাহেল আলম, রাইহান, শামীম, রাতুল ও তানজিল। বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছেন- আয়ুব আলী, শিমু বেগম, বাবু, শামিম ও উজ্জলা বিবি।

স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০-৩০ জন জামায়াত নেতাকর্মী ভোলা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় তারা বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে প্রচারণার জন্য প্রবেশ করলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয় এবং একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আহতদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

Manual5 Ad Code

বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আজও আমাদের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিল। পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মীর আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং ১০-১২ জনকে আহত করেছে। গুরুতর আহত দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Manual6 Ad Code

তবে জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ অস্বীকার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং কমপক্ষে ৫ জনকে আহত করে তাদের বাড়িঘরেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এখনও কোনও দলের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual8 Ad Code


 

Manual8 Ad Code

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code