সিলেট–লন্ডন ফ্লাইটে যাত্রীর মৃত্যু, পাইলটের বিরুদ্ধে তদন্ত

প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৬

সিলেট–লন্ডন ফ্লাইটে যাত্রীর মৃত্যু, পাইলটের বিরুদ্ধে তদন্ত

Manual3 Ad Code

সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের একটি ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লেও পাকিস্তানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় জরুরি অবতরণ করা হয়নি। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ফ্লাইটটি ঢাকায় ফিরে অবতরণ করলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় ফ্লাইটটির পাইলটের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিমান সূত্রে জানা যায়, বিজি-২০১ নম্বর ফ্লাইটটি সিলেট থেকে উড্ডয়নের পর পাকিস্তানের আকাশসীমায় লাহোরের কাছাকাছি পৌঁছালে এক যাত্রী হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় পাইলট ‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করেন এবং ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নেন। ঢাকায় অবতরণের পর চিকিৎসকরা ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

Manual4 Ad Code

বিমান চলাচলের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে নিকটবর্তী কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের সুযোগ বিবেচনা করা হয়। পাকিস্তানের আকাশসীমায় অবস্থানকালে লাহোর বা আশপাশের কোনো বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করা যেত কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন সে সময় ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

Manual3 Ad Code

এর আগে ২০২৩ সালে সিলেট থেকে লন্ডনগামী একই রুটের একটি ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকের মৃত্যু হয়। সে সময়ও উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লেও ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ না করে সরাসরি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়েছিল। ওই ঘটনাটি নিয়েও তখন আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছিল।

Manual7 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Manual7 Ad Code


 

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code