৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০১৮
হবিগঞ্জের বহুল আলোচিত বিউটি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামী বাবুল মিয়াকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসমা বেগম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত পরিদর্শক অহিদুর রহমান পিপিএম জানান, বাবুলের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হলে শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক তাকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এদিকে, বিউটি হত্যার প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছে জেলা পুলিশ। গতকাল রবিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা জানান, বিউটি হত্যার প্রধান আসামী বাবুলকে আদালতে হাজির করে ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
এছাড়া উক্ত মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জোড়ালো ভাবে তদন্ত করে যাচ্ছেন তারা। রিমান্ড মঞ্জুর হলে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে করে আরো কে কে জড়িত রয়েছে এ ব্যাপারে জানা যাবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, কিশোরী বিউটি আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করতে সিলেটে পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে কাজ করছিল। র্যাব ৯ ও পুলিশের একটি যৌথ দল সিলেটের বিয়ানিবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
গত ২১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জের ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের সায়েদ আলীর মেয়ে বিউটি আক্তারকে (১৪) বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা। এক মাস তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এক মাস নির্যাতনের পর বিউটিকে কৌশলে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায় বাবুল। এ ঘটনায় গত ১ মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা স্থানীয় ইউপি মেম্বার কলমচানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে মেয়েকে সায়েদ আলী তার নানার বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন। এরপর বাবুল ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬ মার্চ বিউটি আক্তারকে লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রামের তার নানার বাড়ি থেকে রাতের আঁধারে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ফের ধর্ষণের পর তাকে খুন করে লাশ হাওরে ফেলে দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।
বিউটিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ১৭ মার্চ তার বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল মিয়াসহ দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর গত ২১ মার্চ পুলিশ বাবুলের মা কলমচান ও সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের ঈসমাইলকে আটক করে। অপরদিকে, এই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেন। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে কমিটিকে। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামছুর রহমান ভূইয়াকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন, বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ও সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D