কানাইঘাটে ভবঘুরে নারীকে ধর্ষণ, আটক ২

প্রকাশিত: ১০:২২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০২৫

কানাইঘাটে ভবঘুরে নারীকে ধর্ষণ, আটক ২

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের সড়কের বাজারে অজ্ঞাত এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল কর্মচারী ও মিশুক চালককে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) গভীর রাতে সড়কের বাজারে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারী বাজারে ঘুরাফেরা করছিল। তখন বাজারের একটি হোটেলের কর্মচারী স্থানীয় মানিকপুর গ্রামের দুলাল আহমদ (৩০) এবং মিশুক রিক্সা চালক করচটি নালুহারা গ্রামের ফজলুর রহমানের পুত্র জাকারিয়া (৪০) ঐ নারীকে বাজারের একটি গোডাউনে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ঘটনাটি দেখতে পান বাজারের নৈশ প্রহরীরা। পরদিন তারা বাজার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি অবগত করেন।

কমিটির নেতৃবৃন্দ শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে অভিযুক্ত দুলাল আহমদ ও জাকারিয়াকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অজ্ঞাত ঐ নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

পরে বাজার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও এলাকার লোকজন কানাইঘাট থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ধর্ষণকারী দুই যুবককে থানায় নিয়ে আসেন।

থানায় আটক হোটেল কর্মচারী দুলাল আহমদ অজ্ঞাত নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে বলে, ঐ নারীকে কে বা কারা টাকার বিনিময়ে সড়কের বাজারে এনে রেখে যায়। পরে সে ও জাকারিয়া নারীকে ধর্ষণ করে।

সড়কের বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ জানান, অজ্ঞাতনামা নারীকে ধর্ষণের বিষয়টি বাজারের নৈশ প্রহরীরা ব্যবসায়ীদের জানান। পরে বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার বিকেলে দুলাল আহমদ ও জাকারিয়াকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দুলাল আহমদ নিজে ও জাকারিয়া মিলে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করে।

তবে আব্দুল্লাহ বলেন, অজ্ঞাতনামা নারী ভবঘুরে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে নৈশ প্রহরীরা জানালেও ঐ নারীর পরিচয় সনাক্ত করতে তাকে খোঁজা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত নারীর নাম-পরিচয় বা ঠিকানা কেউ জানাতে পারেননি। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, ভিকটিমের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি এবং লিখিত অভিযোগও জমা পড়েনি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট