সিলেট নগরীতে বাসা কিনে চাঁদাবাজদের হয়রানির শিকার প্রবাসী

প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০২৪

সিলেট নগরীতে বাসা কিনে চাঁদাবাজদের হয়রানির শিকার প্রবাসী

সিলেট নগরীর চৌকিদেখীতে জমিসহ দু’তলা একটি বাসা কিনে বিপাকে পড়েছেন মো. জিলু হক তাজ নামের এক যুক্তরাজ্য প্রবাসী। তাঁর বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের লাউজারী গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে আছেন।

বুধবার (১২ জুন) বেলা আড়াইটায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের হয়রানির শিকার বলে অভিযোগ করেন তাজ।

তাঁর অভিযোগ- ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে বার বার চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। না দিলে খুন করে লাশ গুম করে দেওয়া বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে জিলু হক তাজ জানান, কয়েক মাস আগে চৌকিদেখীর রংধনু আবাসিক এলাকার ৪৩/১ নং বাসাটি (দুতলা) ১৫ শতক ভূমিসহ ক্রয় করেন তিনি। বাসার মালিক যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমিরুন বেগম পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে এ জমি ও বাসা বিক্রি করেন। পত্রিকায় আইনগত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাসাটি ক্রয় করেন তাজ। চলতি বছরের ৯ এপ্রিল সিলেট সদর সাব-রেজিস্টারি অফিসে ক্রয়-বিক্রয়ের সাব-কাবালা দলিল সম্পন্ন হয়। ক্রয়ের পর তিনি ওই বাসায় বসবাস শুরু করেন। এ সময় কতিপয় সন্ত্রাসী তাজের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে বাসা ছেড়ে দিতে বলে তারা। তা না হলে তাজকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়। এসময় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা নিজেদের ছাত্রলীগ নেতাকর্মী বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু প্রবাসী তাজ চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে তাদেরকে বাসার চাবি দিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। মুঠোফোনে তাজের কাছে চাঁদা বা বাসার চাবি দাবি করে ছাত্রলীগ নামধারীরা। মুঠোফোনে প্রবাসীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এ বিষয়ে তাজ গত ৭ জুন সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় জিডি করেছেন।

জিলু হক তাজ আরও বলেন- সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হুমকি-ধমকিতে অতীষ্ঠ হয়ে মাসখানেক আগে তিনি সমাধানের লক্ষ্যে তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। কিন্তু বিষয়টির সমাধান হয়নি। এরপর ৯ জুন ৮-১০ জন সন্ত্রাসী মোটরসাইকেলযোগে তাজের বাসায় গিয়ে ফের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসে। এ অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন প্রবাসী তাজ।

তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রবাসীবান্ধব শেখ হাসিনা সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট