এক মাসে সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত

প্রকাশিত: ১১:১১ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০২৪

এক মাসে সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত

গত মাসে অর্থাৎ- এপ্রিলে সিলেট বিভাগে ৪০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হয়েছেন বলে ‘বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি’র দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের এক পর্যবেক্ষণ-প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (২২ মে) জানান- এপ্রিল মাসে দেশে ৬৮৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭০৮ জন নিহত ও ২৪২৬ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১৫৫টি দুর্ঘটনায় ১৭৯ জন নিহত ও ৩০৫ জন আহত হয়েছেন।

আর সিলেট বিভাগে গত মাসে ৪০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত ও ১৩১ জন আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ-মতে, এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ হচ্ছে- ১. দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলের অবাধ চলাচল।
২. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ঈদে যাতায়াতকারী ব্যক্তিগত যানের চালকদের রাতে এসব জাতীয় সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালানো।
৩. জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টানিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকের এসব সড়কে দুঘটনায় পতিত হয়েছে।
৪. মহাসড়কের নির্মান ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৫. উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
এবং ৬. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো।

সংগঠনটি দুর্ঘটনার প্রতিরোধে কয়েকটি সুপারিশ করেছে। সেগুলো হচ্ছে- ১. জরুীর ভিত্তিতে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক আমদানী ও নিবন্ধন বন্ধ করা । ২. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা।
৩. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান।
৪. ধীরগতির যান ও দ্রুতগতির যানের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা।
৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৬. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৭. সড়ক পরিবহন আইন যথাযতভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রয়োগ করা।
৮. উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
এবং ১০. মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবৎ ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট