উপশহরে বাড়ির অংশ থেকে দেবরদের বঞ্চিত করতে চান ভাবি!

প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০২৩

উপশহরে বাড়ির অংশ থেকে দেবরদের বঞ্চিত করতে চান ভাবি!

সিলেট মহানগরের শাহজালাল উপশহরে ৫তলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি পুরোটাই ভোগদখল করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। স্বামী মারা যাওয়ার পর বাড়িটির দেবরদের অংশও ভাড়া দিয়ে টাকা আদায় করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শাহজালাল উপশহরের ডি ব্লকের ১৪নং রোডের ২৬ নং বাসার বাসিন্দা মরহুম মোবারক আলীর ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবুল কালাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন- ‘মোবারক মঞ্জিল’ নামের ২৬ নং বাড়িটির মূল মালিক আবুল কালামের বাবা মরহুম মোবারক আলী। তিনি মারা গেলে পৈত্রিক সূত্রে তারা ৮ ভাই-বোন এই বাসার বর্তমান মালিক। এর মধ্যে কালামের বড় ভাই আব্দুল হাই সাজ্জাদ ২০১৭ সালে মারা গেলে তার অংশ ভোগদখল করে আসছেন তার স্ত্রী নেহারুন বিবি ও সন্তানেরা। কিন্তু ২০২১ সালের জুন মাসে বাড়ির অন্য মালিকেরা বিদেশে থাকার সুযোগে তাদের অজান্তে নেহারুন বিবি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা লালাবাজার এলাকার শাহ সিকন্দর (মীরবাড়ি) গ্রামের মরহুম মৌলভী মো. রফিক উল্লাহ’র ছেলে শামীম ইকবালকে মৌখিক চুক্তিতে বাড়ির নিচতলা, দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ ও পঞ্চম তলা ভাড়া দিয়ে দেন। শামীম ইকবাল ভাড়া নিয়ে বাসাটির নিচতলায় ‘বাংলাদেশ অটিজম গবেষণা ও প্রতিবন্ধী স্কুল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন এবং দ্বিতীয় তলার কক্ষ ও পঞ্চম তলায় তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকতে দেন। বাসার অন্যান্য মালিক এ বিষয়টি জানতে পারলে এ ব্যাপারে নেহারুনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হলে নেহারুনকে ভাড়া না দিয়ে শামীম আদালতের মাধ্যমে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন- ‘গত ২৭ মার্চ নেহারুন সংবাদ সম্মেলন করে যেসব অভিযোগ করেছেন তা সত্য নয়। মূলতঃ আমরা ৭ ভাই-বোন যুক্তরাজ্যে অবস্থান করার সুযোগে আমাদের ভাবি নেহারুন বিবি শামীমের কাছে ‘একাই মালিক’ দাবি করে আমাদের অংশও ভাড়া দিয়ে অবৈধভাবে তার কাছ থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ভাড়া আদায় করে ভোগ করেন। পরবর্তীতে সব জেনে আমি আদালতের দ্বারস্থ হই। বর্তমানে আদালতের মাধ্যমেই ভাড়াটিয়া শামীমের কাছ থেকে আমরা ভাড়া পাচ্ছি। পাশাপাশি আমি আমার বাকি ভাই-বোনের সম্মতিক্রমে শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নতুন চুক্তিপত্র সম্পাদন করি। এতেই মূলতঃ ক্ষুব্ধ হয়ে শামীমের বিরুদ্ধে নেহারুন সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করেছেন। এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নেহারুন আসলে ওই বাসার পুরো মালিক বলে প্রচার করতে চেয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী আবুল কালাম এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হতে সকলের প্রতি আহবান জানান।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট