মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার

প্রকাশিত: ২:০১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০২২

মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার

 মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিক তালুকদার

আমাদের সংবিধান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সকল মানবাধিকার ও সুশাসন নিশ্চিত করণ, রাষ্ট্রীয় মৌলিক নীতির বাস্তবায়ন ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিশ্চয়তা বিধান করেছে । বাংলাদেশে মানবাধিকার অবনতিতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় । কেন, সুশাসন, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক চর্চার অনুপস্থিতি? ভিন্নমত দমনে রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার । এসব কারণেই মূলত নিরাপত্তা বাহিনীকে অনবরত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কাছ থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে । মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদক ও মানবাধিকার কর্মী এবং গণমাধ্যম কর্মীদেরকের ও হয়রানি ও কর্তৃপক্ষের হুমকি – ধামকির সম্মুখীন হতে হয়েছে । উদাহরণ স্বরূপ – যেমন আমি নিজে আমাকে গত ( ১ ডিসেম্বর ২০২২ ) বৃহস্পতিবার রাতে অহেতুক অকারণে বিনা অপরাধে, বানোয়াট মুলক ভাবে গ্রেফতার করা করে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা । তাদের কাছে আমার অপরাধের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা এতে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি । পরিশেষে আমাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয় । মামলা দায়ের পর আমাকে আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কারাগার থেকে আবার আদালতে হাজির করে তারপর জামিনে মুক্তি নিয়ে বের হলাম । কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার অপরাধের কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি । তাহলে এতে কি বুঝা যায় । এতে ন্যায়বিচারে বাধা ও নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহিতা স্বচ্ছতার বিষয়ে সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য দূরত্ব সৃষ্টি করছে ।

কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ও যদি সরকার কিংবা প্রশাসন কখনো গণমানুষের সংবিধান স্বীকৃত অধিকার সুরক্ষায় অসমর্থ হয়, ব্যর্থ হয়, অথবা রাষ্ট্রের নাগরিকের যে কোন ধরনের মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা, ভোগ কিংবা উপভোগের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় বা কর্তন করতে বা হরণে উদ্যত হয় তখন গণমাধ্যম যথার্থ তথ্য – উপাত্তসহ তা উপস্থাপনের মাধ্যমে যথাযথ পরামর্শ দিয়ে কিংবা এ কাজ যথার্থ নয় বলে বাঁধ সেধে রুখে দিতে পারে । এভাবে রক্ষা করতে পারে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার । এভাবেই বাঁচতে পারে গণতন্ত্র, বাড়তে পারে এবং রক্ষা হতে পারে গণতান্ত্রিক অধিকার। পাশাপাশি বাঁচতে পারে গণমাধ্যম তথা সংবাদমাধ্যম । একারণেই গণতন্ত্র , মানবাধিকার আর গণমাধ্যম পরস্পরের পরিপূরক বা সম্পূরক । যে গণমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যম গণতন্ত্র, দেশ জাতি তথা মানুষের মুক্তির আশা জাগিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সর্বশেষ ভরসাস্থল হিসেবে স্বীকৃত একমাত্র মাধ্যম ।

সাম্য,মানবিক মর্যাদা,আইনের শাসন,অবাধ গণতন্ত্র,ক্ষুধা, দারিদ্র্যও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী অতিক্রান্ত হলেও কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়নি। আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নগুলো অনেকটাই অধরা রয়ে গেছে । স্বাধীনতার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ হবে জনগণের এবং জনগণের দ্বারা পরিচালিত দেশ ।
দ্বিতীয়,বাংলাদেশ হবে সবধরনের বৈষম্যমুক্ত,অন্যায়, অবিচারও শোষণমুক্ত; সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র । কিন্তু আমাদের সে স্বপ্ন আজও অনেক ক্ষেত্রেই রয়ে গেছে অপূর্ণ । বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার তৃতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা; যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতাও সুবিচার নিশ্চিত হইবে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ -১ এ স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ একটি একক,স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র,যাহা ‘ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ‘নামে পরিচিত হইবে । অনুচ্ছেদ -৭ ( ১ ) এ উল্লেখ করা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীনে ও কর্তৃত্ব কার্যকর হইবে । মূলত, এ পদ্ধতিকে কার্যকরও আশাব্যঞ্জক করার জন্য অবশ্যই পালনীয় প্রথম শর্ত হলো- অবাধ,সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন করা । একই সাথে প্রয়োজন কার্যকর সংসদ; যার জন্য সেখানে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের উপস্থিতি ও অনস্বীকার্য । মূলত, গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রাধান্য লাভ করে এবং সম্পদের সুষম বণ্টন হয়; অন্যায় অবিচার,শোষণ,নিষ্পেষণ হ্রাস পায়; মানবাধিকার, বাক স্বাধীনতা,সভা -সমাবেশের স্বাধীনতা,নিশ্চিত হয় । কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শাসনকার্যে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই; আর গণতন্ত্র রীতিমত বিপন্ন ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য বৈষম্যমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, অন্যায়,অবিচার,শোষণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য বৈষম্যমুক্ত,দারিদ্র্যমুক্ত, অন্যায়,অবিচার,শোষণ, নিষ্পেষণমুক্ত সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক বাংলাদেশ । কিন্তু এসব ক্ষেত্রে আমাদের তেমন কোন অর্জন নেই । বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড,দূর্নীতিও দূর্নীতির ক্রমবিকাশ এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিতও সমালোচিত হয়েছে ।
আমাদের বড় সমস্যা হলো বৈষম্য । দলীয়করণ ব্যাপক প্রভাবে বর্তমানে সরকারদলীয় ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য নাগরিকদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কোনো সুযোগ সুবিধা,চাকরি,ব্যবসা ইত্যাদি সম্ভব হচ্ছে না । আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে বা অন্য সরকারি দপ্তরসমূহে, প্রশাসনে সরকারদলীয় লোকজনের জন্য সুবিধাজনক পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে । যা স্বাধীনতার চেতনা ও আইনের শাসনের পুরোপুরি পরিপন্থী । আমরা স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরেও ক্ষুধা ও দারিদ্রতার সাথে লড়াই করছি। অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে দেশে এখন কোটিপতির সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু দরিদ্ররা হয়েছেন আরও দরিদ্র ।


[১]মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা (The Universal Declaration of Human Rights, UDHR) : জাতিসংঘ মানবাধিকার মূল সনদ বলতে সেই সনদকে বুঝানো হয় যা মানবাধিকার কমিশন মিসেস এলিয়নর রুজভেল্ট (Mrs. Eleanor Roosevelt)-এর নেতৃত্বে ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণার খসড়া তৈরী করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের মাধ্যমে প্যারিসে অনুষ্ঠিত সাধারণ পরিষদের তৃতীয় অধিবেশনে জমা দেয়।

এখানে তিনটি অংশের মধ্যে প্রথমটি ছিল মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা। তাই এটাকে ‘তিন সোপান বিশিষ্ট রকেটের প্রথম সোপান’ বলা হয় (The First stage of the three staged on rocket)।[২] এ সময় সাধারণ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৫৮। উপস্থিত ৫৬ সদস্যের মধ্যে সার্বজনীন ঘোষণার পক্ষে ভোট দিয়েছিল ৪৮ টি। বিপক্ষে কেউ ভোট দেয়নি। তবে ৮টি রাষ্ট্র ভোট দানে বিরত ছিল। সুতরাং বলা যায়, সর্বসম্মতিক্রমে ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গ্রহণ করে ‘মানাবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা।[৩] মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাটি ‘সকল জাতির এবং মানুষের অধিকার অর্জনের সাধারণ মান’ হিসাবে গৃহীত হয়। যে দর্শনের উপর ভিত্তি করে এটি গৃহীত হয় তা হ’ল ‘সকল মানুষই বন্ধনহীন অবস্থায় এবং সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। তাদের বুদ্ধি ও বিবেক দেয়া হয়েছে এবং তাদের উচিৎ ভাতৃসুলভ মনোভাব নিয়ে একে অন্যের প্রতি আচরণ করা।

সার্বজনীন ঘোষণায় ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। ৩ থেকে ২১ অনুচ্ছেদে ১৯টি নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বর্ণিত হয়েছে, যেগুলো জাতি, গোত্র, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভাষা, ধর্ম, রাজনৈতিক বা অন্য মতবাদ, জাতীয় বা সামাজিক উৎপত্তি, সম্পত্তি, জন্ম বা অন্য মর্যাদা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ ভোগ করার অধিকারী। ২২ থেকে ২৭ অনুচ্ছেদে ৬টি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। যেগুলো মানুষের মর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য। বিধায় ‘সমাজের সদস্য হিসাবে’ প্রত্যেক ব্যক্তিই তা পাবার অধিকারী। প্রতিটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে স্বীয় প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পদের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম ব্যবহার দ্বারা এ অধিকারগুলোর বাস্তবায়নে সচেষ্ট হওয়া। তাই বলা যায়, সার্বজনীন মানবাধিকার বুঝানোর মধ্য দিয়েই আন্তর্জাতিক আইন পর্যায়ে মানবাধিকারের আধুনিক ইতিহাস শুরু হয়েছে। এই ঘোষণাকে জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে অভিহিত করেছেন মনীষী গুড রিচ। কারণ UDHR গ্রহণ করার পর মাত্র দুই বছরের মধ্যে জাতিসংঘ Capitalist & Socialist ব্লকের মধ্যে বিরাজমান মতভেদের সমন্বয় সাধনে সমর্থ হয়।[৪]

কিন্তু আজ আমাদের সমাজে, দেশে সেই মানবাধিকারের চর্চা একেবারেই অনুপস্থিত । মানবতা আজ নিভৃতে ডুকরে কাঁদে । মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার নির্বাসনে, দস্যু – তস্কর, হন্তারকরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সর্বত্র। এই অবস্থার অবসান চাই । বেঁচে থাকার আশায় সমাজে রুদ্ধশ্বাসে সাংতরে বেড়ানো অসহায় জনতার একযোগে জাগরণেই রুখে দিতে পারে সব অনাচার ।
মানবজাতি জন্নগতভাবেই বেশকিছু মর্যাদার অধিকারী। প্রতিটি মানুষ জন্মের পর থেকে সেই অধিকার স্বাধীন কিংবা বাঁধাহীন – ভাবে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে । এ অধিকার মানবজাতির জন্য পালনকর্তা নির্ধারণ করে দিয়েছেন । তেমনি রাষ্ট্রর নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার হিসেবে খ্যাত । বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল কিন্তু গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে । কিন্তু মানবাধিকারের প্রতি যখন অবজ্ঞা করা হয়েছে, অসম্মান করা হয়েছে, মানবতা যখন বিপন্ন হয়েছে, তখনই ফুঁসে উঠেছে মানুষ, রুখে দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে জীবন বাজি রেখে । অসম্মান অবজ্ঞা আর মানবতা বিপন্নকারী অশুভ শক্তিকে প্রতিরোধের জন্য আন্দোলন দেশে দেশে কখনও ভয়ন্কর রুপ নিয়েছে । হয়েছে রক্তপাত এবং প্রাণহানি । শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়ে বাংলাদেশ ও মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ভিন্নমতের মানুষ । তাই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস । সর্বস্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে । বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সত্ত্বেও মানবাধিকার পরিস্থিতি বিশেষ করে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারচর্চার ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ায় আমরা শন্কিত । শেষ কথা একটাই, গণতন্ত্রের পুনর্বাসন চাই । তবেই ফিরে পেতে পারেন সর্বস্তরের জনগণ সব অধিকার । সব অধিকারহারা, বঞ্চিত, লাঞ্ছিত, অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ঐক্যবদ্ধ মুষ্টিবদ্ধ হাত প্রসারিত করার এখনই সময় । গভীর অমানিশার নিকষ কালো অন্ধকারে তবেই মিলতে পারে আলোর দেখা । আসুন সকল মানুষের মৌলিক ও মানবাধিকার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থবহ করে তুলি ।


লেখক:- বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক নয়াদেশ ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বাংলা পোস্ট –