পোল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

প্রকাশিত: ১১:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২২

পোল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

আল থুমামা স্টেডিয়ামে এমবাপ্পের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের চমকপ্রদ জোড়া গোলে এবং অলিভার জিরুর রেকর্ডে ৩-১ গোলে পোল্যান্ডকে হারিয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স উঠল গেল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।

পিএসজি তারকার আলো ছড়ানোর রাতে রেকর্ড গড়েছেন অলিভিয়ের জিরুও। ম্যাচের প্রথমার্ধে দলকে এগিয়ে দিয়ে ফ্রান্সের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হন জিরু (৫২)। এর আগে ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন থিয়েরি অঁরি (৫১টি)।

শুরু থেকেই পোল্যান্ডকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ৪ মিনিটেই ফ্রান্সের রাফায়েল ভারানে গ্রিজম্যানকে বল দিলে গ্রিজম্যান ডান দিকে থেকে গোল করার চেষ্টা করেন। তবে পোলিশদের রক্ষণভাগ এড়াতে পারেননি। তবে তারপর ফ্রান্স গোল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচের ১৩ মিনিটে ফ্রান্সের চুয়ামিনি পোল্যান্ডের রক্ষণে বল পেলেও পোল্যান্ডের গোলকিপার ভয়চক সেজনি তা রুখে দেন। ম্যাচের ২০ মিনিটে আবারো ফ্রান্সকে হতাশ করেন সেজনি।

এক মূহুর্ত পরেই গোল করেন সুযোগ পায় পোল্যান্ড। রবার্ট লেভানডফস্কি দারুণ এক শট নিলেও গোল করতে পারেননি। প্রথমার্ধের অধিকাংশ সময়ে ফ্রান্সের ফরোয়ার্ডরা শুধু হতাশই করেছেন। ২৯ মিনিটে ওপেন গোল করার সুযোগ মিস করেন অলিভিয়ের জিরুড। এছাড়া ৩৫ মিনিটে সুযোগ হারান কিলিয়ান এমবাপ্পে।

তবে গোলকিপার দেরও কৃতিত্ব দিতেই হবে। ৩৮ মিনিটে ডাবল সেভ করে পোল্যান্ডকে হতাশ করেন ফ্রেঞ্চ গোলকিপার হুগো লরিস। এরপর ম্যাচের ৪৪ মিনিটে পোল্যান্ডের রক্ষণদূর্গ ভাঙতে সক্ষম হয় ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পের এসিস্ট থেকে গোল করেন অলিভার জিরুড। ফ্রান্স লিড নেয় ১-০ ব্যবধানে। এই ব্যবধান রেখেই প্রথমার্ধ শেষ করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

বিরতির পরও বদলায়নি ম্যাচের ধারা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে ফ্রান্সের আক্রমণ ঠেকিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিল পোলিশরা। ৫৬ মিনিটে ডি-বক্সের কাছাকাছি জায়গা নেওয়া এমবাপ্পের দুর্দান্ত এক শট পোলিশ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক বদলে মাঠের বাইরে চলে যায়।

৭৪ মিনিটে আবারও দেখা মেলে এমবাপ্পে জাদুর। প্রতি-আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ডি–বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে লক্ষ্যভেদ করেন এমবাপ্পে। প্রথম গোলটি যে জায়গা থেকে করেছিলেন, সেখান থেকেই যোগ করা সময়ে করেন দ্বিতীয় গোলটি। পার্থক্য কেবল প্রথমটি ছিল কাছের পোস্টে আর পরের ছিল দূরের পোস্টে।

আর এমবাপ্পের জাদুকরী পারফরম্যান্সের পর শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে সান্ত্বনার গোল পান রবার্ট লেভানডফস্কি।


সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট