জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলেটে এনডিএফ এর মিছিল সমাবেশ

প্রকাশিত: ২:১৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০২২

জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলেটে এনডিএফ এর মিছিল সমাবেশ

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমা সত্ত্বেও সাম্রাজ্যবাদী সংস্থা আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধি করায় সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এনডিএফ সিলেট জেলা শাখা।

জ্বালানী তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে ৬ আগস্ট শনিবার জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।

নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে মিছিল বের হয়ে জিন্দাবাজার, সিটি পয়েন্ট হয়ে সুরমা পয়েন্টের সামনে সমাবেশ করে।

সংগঠনের জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুরুজ আলীর সভাপতিত্বে এবং দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটুর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম, শাহপরাণ থানা কমিটির সভাপতি মোঃ খোকন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির অন্যতম নেতা আব্দুল মুমিন রাজু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো ছাদেক মিয়া, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির অন্যতম নেতা শুভ আজাদ শান্ত, এম সি কলেজ নেতা বদরুল আজাদ, শাবিপ্রবি শাখার সহ-সভাপতি রুপেল চাকমা, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ পূর্বাঞ্চল কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির মিয়া, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনছার আলী, কৃষক সংগ্রাম সমিতি এবং ভূমিহীনদের সংগঠক আলী মিয়া সহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমা সত্ত্বেও সাম্রাজ্যবাদী সংস্থা আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধি করায় সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির এ বাজারে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমা সত্ত্বেও এ সিদ্ধান্তকে গণবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার বাজেট বাস্তবায়নে দেশী-বিদেশী ঋণ গ্রহণ করে মেগা মেগা প্রকল্পের দ্বারা অবাধ লুটপাটের মাধ্যমে জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। মূলত আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে দেশ পরিচালনার মধ্যে নিহিত আছে নয়া উপনিবেশিক দেশের দালাল সরকারগুলির চরিত্র। ইতিপূর্বে ইউরিয়া সার ও ওষুধের দাম বৃদ্ধি করে সরকার। গত শুক্রবার রাতে লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিন ৩৪ টাকা, পেট্রোল ৪৪ ও অক্টেন ৪৬ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও খাড়ার ঘায়ের মত জনজীবনকে কষাঘাত করছে দ্রব্যমূল্যের অব্যাহত উর্দ্ধগতি। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ইতিমধ্যে গণপরিবহন ভাড়া বৃদ্ধিসহ জনজীবন ও জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়বে।

এছাড়াও নেতৃবৃন্দ বলেন, সামাজ্যবাদের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশ্ব বাজার প্রভাব বলয় পুনর্বন্টনের প্রতিযোগিতায় তেল ও খাদ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে তাই সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল বিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শ্রমিক-কৃষক জনগণের রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করার আহ্বান জানান।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট