ড. এ কে আব্দুল মোমেন শিশু-কিশোর খেলার মাঠ নামকরণ করেছেন বৃহত্তর এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ, মে ১৭, ২০২২

ড. এ কে আব্দুল মোমেন শিশু-কিশোর খেলার মাঠ নামকরণ করেছেন বৃহত্তর এলাকাবাসী

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার ২৭নং ওয়ার্ডে অবস্থিত শত বছরের প্রাচীন খেলার মাঠের নাম সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে.এম আব্দুল মোমেন শিশু-কিশোর খেলার মাঠ নামকরণ করেছেন বৃহত্তর এলাকাবাসী। ১৬ মে সোমবার বিকালে বৃহত্তর এলাকাবাসী ও দক্ষিণ সুরমা নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ র‌্যালি সহকারে মাঠে গিয়ে ড. এ.কে.এম আব্দুল মোমেন শিশু-কিশোর খেলার মাঠ নামিয় ব্যানার স্থাপন করেন।

পরে এক সমাবেশে মিলিত হন। এ সময় দক্ষিণ সুরমা নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল জলিল ময়না মিয়া, আব্দুল মুক্তাদির, আব্দুল মালিক, বদরুল ইসলাম আফাজ, পালপুর মনছুরিয়া জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লী শামীম আহমদ চৌধুরী, ফয়জুল ইসলাম আরিজ, মোঃ শামীম কবীর, শাহ মোঃ বদরুজ্জামান বদরুল, সালাউদ্দিন আহমদ মাছুম, আব্দুল আহাদ, আব্দুল হাসিব, যুব সমাজের মধ্যে আব্দুল হামিদ, নাজমুল আলম রাজন, খালেদ আহমদ, সানি আহমদ, দিপংকর টিপু, কামিল আহমদ, শালিম আহমদ, আশরাফ রহমান, আলামীন আহমদ, রায়হান আহমদ, জাহিদ আহমদ, লিমন আহমদ, রাহি আহমদ, মিজান চৌধুরী, মাহফুজ আহমদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সিলেটের কৃতি সন্তান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে.এম আব্দুল মোমেন শিশু-কিশোর খেলার মাঠ নামে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৭নং ওয়ার্ডে অবস্থিত শত বছরের প্রাচীন খেলার মাঠটি নামকরণ এবং স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জোর দাবী জানান। তারা বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়াবান্ধব সরকার। এ সরকারের আমলে শিক্ষা, ক্রীড়াঙ্গন সহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নীতি সাধিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় মাঠটি বরাদ্দ দেয়া হবে বলে বক্তারা আশাবাদী।
বক্তারা বলেন, অত্র এলকায় কোন স্থায়ী খেলা মাঠ না থাকায় কোমলমতি শিশু ও কিশোররা খেলাধুলা, বিনোদন ও শরীর চর্চা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় অপরাধ প্রবণতা, কিশোর গাং, মাদকাসক্তি, মোবাইল আসক্তিতে ঝুঁকে পড়ছে। অপরাধ কর্মকান্ড থেকে কিশোরদের রক্ষা করতে স্থায়ী খেলার মাঠ অতিব জরুরী। শিশু-কিশোদের শারীরিক, মানসিক তথা স্বাস্থ্যগত উন্নতির লক্ষ্যে ও এলাকার প্রবীন নারী-পুরুষদের সকাল-বিকাল হাটা চলার স্বার্থে মাঠটি স্থায়ী বরাদ্দ দেয়ার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট