স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে : মাউশি মহাপরিচালক

প্রকাশিত: ৭:৪৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১

স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে : মাউশি মহাপরিচালক

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্কুল খোলার পর শিক্ষাথীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ বন্ধের পর আজ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হওয়া আনন্দের সাথে সাথে একটি বিরাট দায়িত্বও। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসবে, তাদের দায়িত্ব আমরা নিয়েছি। আমরা যদি সূচারুভাবে এটা করতে না পারি; তবে জাতির নিরাপত্তা

বিঘ্নিত হবে। শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সিলেট আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে ‘করোনা পরবর্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালুকরণ এবং কৈশোরকালীন পুষ্টি বিষয়ে মতবিনিময় সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে রুটিন ক্লাস খুব কম দেয়া হয়েছে। তারপরও শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অবকাঠামোগত সুবিধা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নির্দেশনার আলোকে নিজেদের পরিকল্পনা তৈরি করবেন। কোন সমস্যার উদ্ভব হলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিবেন। তিনি বলেন, স্কুল গেইটে ভিড় ও অভিভাবকদের আড্ডা নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি করবে। তাই এসব ব্যাপারেও প্রতিষ্ঠান নজর রাখবে এবং প্রতিদিনের কার্যসম্পাদন বিষয়ে মাউশিতে বেলা ৩টার মধ্যে রিপোর্ট করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাউশি’র সিলেট আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর আব্দুল মান্নান খান, এমসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সালেহ আহমদ, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আল আজাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাউশি’র আঞ্চলিক উপ পরিচালক জাহাঙ্গীর কবির আহমদ। করোনার কারণে যেমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তেমনি কিছু সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বলেন, করোনায় শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রধান ৩টি সুযোগ হচ্ছে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্ব, বিকেন্দ্রীকরণ এবং ডিজিটালাইজেশন। সিলেট আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ফৌজিয়া আক্তারের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, মাউশি সিলেটের উপ পরিচালক(কলেজ) নূরএ আলম, সহকারী পরিচালক প্রতাপ চৌধুরী, মাউশির সহকারী পরিচালক(প্রশিক্ষণ-১) মো. মাজহারুল হক মাহমুদ, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবির খান, মদনমোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সর্বানী অর্জুন, দক্ষিণ সুরমা কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, ইমরান আহমদ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হক সর্দার, মঈন উদ্দিন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবিদুর রহমান প্রমুখ। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ নুরুল হুদা ও পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সত্যব্রত রায়। সভায় জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইন্সট্রাক্টর, বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


 

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট