এস আই আকবরসহ চার পুলিশের নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যৃ

প্রকাশিত: ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, মে ৬, ২০২১

এস আই আকবরসহ চার পুলিশের নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যৃ

এসআই আকবর, এ এস আই আশেক এলাহী, কনস্টেবল হারুন ও টিটুর নির্যাতনেই রায়হানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। এছাড়া, ফাঁড়ির টুআইসি এস আই হাসান আলী ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান ঘটনার আলামত গোপন করেন।
গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ (৩৪) হত্যার ঘটনায় ফাঁড়ির বরখাস্ত হওয়া উপ-পরিদর্শক আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ ৫ পুলিশ ও এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই ইন্সপেক্টর আওলাদ হোসেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মুমিনের আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে পিবিআই সিলেট বিভাগের পুলিশ সুপার খালেদ উজ জামান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ব্রিফিংয়ে তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়।
গত ১১ অক্টোবর নগরীর আখালিয়ার নেহারীপাড়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে আসে পুলিশ। পরদিন ভোর ৭টা ৫০ মিনিটে ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে মারা যান রায়হান।
আলোচিত এ হত্যা মামলার চার্জশিটে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ বরখাস্তকৃত দারোগা আকবর হোসেন ভূঁইয়া ছাড়াও সহকারী উপ-পরিদর্শক আশেকে এলাহী , কনস্টেবল যথাক্রমে-হারুনুর রশিদ ও টিটু চন্দ্র , একই ফাঁড়ির টুআইসি দারোগা হাসান আলী এবং কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমানকে আসামি করা হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৩০২/২১০/৩৪ তৎসহ নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ এর ১৫(১)(২)(৩) ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামীদের মধ্যে সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান পলাতক রয়েছে। বাকি ৫ পুলিশ সদস্য জেল হাজতে রয়েছে। জেলহাজতে থাকা কনস্টেবল তৌহিদকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই জানিয়েছে, এ মামলার অভিযোগপত্রসহ কেস ডকেট ১৯৬২ পৃষ্ঠার। আর কেবল অভিযোগপত্রের পৃষ্ঠা ২২। চার্জশিটে ৬৯ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে ১০ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রায়হান যে চেম্বারে কাজ করতো-ওই চেম্বারের চিকিৎসককেও মামলায় সাক্ষী রাখা হয়েছে।


  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট