কাদের মির্জার উপস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জ আওয়ামী লীগ সভাপতিকে মারধর

প্রকাশিত: ১০:৩০ অপরাহ্ণ, মার্চ ৮, ২০২১

কাদের মির্জার উপস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জ আওয়ামী লীগ সভাপতিকে মারধর

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার উপস্থিতিতে তার সমর্থকরা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানকে (৭০) বেধড়ক মারধর করেছে। আহত খিজির হায়াত খানকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বসুরহাট বাজারের রুপালী চত্ত্বরের উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান অভিযোগ করে বলেন, ‘বিকেল ৫টার দিকে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পাশের একটি কক্ষে নতুন করে কার্যালয় করার জন্য আসেন। ওই সময় মেয়র কাদের মির্জার নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী কার্যালয়ের অফিসে এসে এখানে অফিস করা যাবে না বলে বাধা দেয়। প্রথমে কলার ধরে আমাকে লাঞ্ছিত করেন। এক পর্যায়ে কাদের মির্জার সাথে থাকা শতাধিক সমর্থক আমার কলার ধরে রাস্তার নিয়ে লাথি, কিল, ঘুষি মেরে পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে। এসময় কাদের মির্জা আমাকে ধরে রাখেন। আমি থানা পুলিশকে জানালেও তারা আমাকে কোনো সহযোগিতা করেনি।

এ ঘটনার পর বসুরহাট বাজারে কাদের মির্জা সমর্থকরা মিছিল বের করেন। পরে তারা পৌরসভা ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এতে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো সময় আবারো সংর্ঘষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মোবাইল একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি নিজে ফোন ধরেনি। অন্য এক ব্যক্তি ফোন ধরে বলেন, কাদের মির্জা কোনো হামলা করেনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনির ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেন নি।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কাদের মির্জা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান ও সাধারণ সম্পাদককে বহিস্কার করেন আবদুল কাদের মির্জা।

এ বিষয়ে খিজির হায়াত খান ও নুর নবী চৌধুরী গনমাধ্যমকে বলেন, কাদের মির্জা উপজেলা আওয়াম লীগের কোনো পদে নেই। তিনি এ ধরণের সভা আহ্বান করতে পারেন না। তার সিন্ধান্ত সম্পূর্ণ অবৈধ।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের কমিটি ভেঙ্গে দিলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর জের ধরে কাদের মির্জা উপজেলা আওয়াম লীগের কার্যালয়ে থাকা চেয়ার টেবিলসহ আসববাবপত্র পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিগত অফিসে নিয়ে যান।


সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট