জগন্নাথপুরের সেই ধসে যাওয়া সেতুর মালামাল সরানোর কাজ শুরু

প্রকাশিত: ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৫, ২০২১

জগন্নাথপুরের সেই ধসে যাওয়া সেতুর মালামাল সরানোর কাজ শুরু

সুনামগঞ্জের পাগলা- জগন্নাথপুর- আউশকান্দি- আঞ্চলিক মহাসড়কের কোন্দানালা সেতু ধসে যাওয়ার তিন দিন পর মালামাল সরানোর কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এম বিল্ডার্স। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শ্রমিক দিয়ে সেতু এলাকায় লাল কাপড় টানিয়ে সেতুর ধসে পড়া মালামাল গুলো সরানোর কাজ শুরু হয়।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যথাসময়ে সেতুর কাজ শেষ করতে দ্রুত ধসে যাওয়া মালামাল সরিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করতে ঠিকাদার কে বলা হয়েছে। ঠিকাদার আজ বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু করেছেন। আশাকরছি তিন মাসের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এম বিল্ডার্সের প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ জানান, সেতুর নির্মাণ কাজ শেষের মেয়াদ রয়েছে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেয়াদের আগেই সেতুর কাজ শেষ করা হবে। তাঁরা এ সড়কে একই ডিজাইনের আরও ছয়টি পিসি গার্ডার সেতুর কাজ করছেন। সবসেতুর কাজ সঠিকভাবে করা হচ্ছে। হাইড্রোলিক জ্যাকের পাইপ ফেটে দুর্ঘটনায় এ সেতুর গার্ডার ধসে তাদের ৬০-৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ(সওজ) সূত্র জানায়,গত রোববার রাতে হঠাৎ করে কোন্দানালা সেতুর গার্ডার বসানোর সময় হাইড্রোলিক জ্যাকের(ক্রেন) পাইপ ফেটে একটি গার্ডার আরেকটি ওপর পড়ে গিয়ে সেতুর ৫ টি গার্ডার ধসে পড়ে। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে আর অপরটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটিতে অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন কে প্রধান করে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে ঘটনাস্হল পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
অপরদিকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সেতু ও ডিজাইন বিভাগের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কুমার রাউতকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিবেন।
সওজ সূত্র জানায়, ৫০.২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০.২৫ মিটার প্রস্থের কোন্দানালা সেতুর নির্মাণ ব্যয় ১৩ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে তিন কোটি টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।


 

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট