এইচএসসির ফল কবে?

প্রকাশিত: ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০২০

এইচএসসির ফল কবে?

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত মার্চ থেকেই বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দফায় দফায় এই বন্ধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে, যা এখনও চলমান। এরই মধ্যে মরণ ভাইরাসটির কারণে প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসির মতো এবারের এইচএসসি পরীক্ষাও নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অষ্টমের সমাপনী (জেএসসি) ও এসএসসির ফলাফলের গড় করে চলতি বছরের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে।

এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী চলতি ডিসেম্বরেই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। তবে এইচএসসি ও সমমানের রেজাল্ট প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিডিউল পাওয়া না পাওয়া, ফল প্রকাশের চূড়ান্ত অনুমোদনসহ কয়েকটি কারণে চলতি ডিসেম্বর মাসে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ নাও হতে পারে। আগামী জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে রেজাল্ট প্রকাশ হতে পারে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার গ্রেড মূল্যায়ন কমিটি’র সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ওই সূত্র জানায়, ফলাফল প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ফলাফল প্রকাশের জন্য সবকিছুই প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পায়নি। খসড়া আকারে সবকিছু থাকায় শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী চলতি মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ নাও হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি চলতি সপ্তাহে ফল প্রকাশের জন্য সময় দিতে পারেন এবং খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত অনুমোদন পায় তাহলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

এ ব্যাপারে গ্রেড মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই রেজাল্ট দেওয়ার। সে লক্ষেই সংশ্লিষ্টরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। ফলাফল প্রকাশের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন প্রয়োজন হয়। দেখা যাচ্ছে আমরা সবকিছু প্রস্তুত করে রাখলাম, তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিডিউল ব্যস্ততার কারণে তিনি সময় দিতে পারলেন না, তখন হয়তো ফল প্রকাশের কাজ কয়েকদিন পিছিয়ে জানুয়ারিতেও যেতে পারে। তবে আমরা চলতি মাসেই ফল প্রকাশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

উল্লেখ্য, দেশের সাধারণ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন এবার ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৭১ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থী রয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫০১ জন। এক বিষয়ে অনুত্তীর্ণ ১ লাখ ৬০ হাজার ৯২৯ জন, দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ ৫৪ হাজার ২২৪ জন এবং সকল বিষয়ে অনুত্তীর্ণ ৫১ হাজার ৩৪৮ জন এবার পরীক্ষার্থী রয়েছেন। নিয়মিত-অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর বাইরে প্রাইভেট পরীক্ষার্থী রয়েছেন ৩ হাজার ৩৯০ জন। এছাড়া মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী রয়েছেন ১৬ হাজার ৭২৭ জন।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট