দখলের কারনে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে খাদিমপাড়াস্থ সরকারি খাল!

প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২০

দখলের কারনে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে খাদিমপাড়াস্থ সরকারি খাল!

সিলেট সংবাদ ডেস্ক : শাহপরান থানার আওতাধীন সিলেট সদর উপজেলার ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নে প্রায় ২০০ বছরের পুরনো জেলা প্রশাসকের (ডিসি) খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাল দখল করে বাংলা বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে নেওয়া হচ্ছে না কোন কার্যকরি পদক্ষেপ। ফলে দিন দিন খাল দখল বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি নিষ্কাশনের অভাবে নগরীতে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। পানির অভাবে ব্যহত হচ্ছে ফসল উৎপাদন। ভুক্তভোগিরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করে পাচ্ছেন না এর সুফল। যার দরুন খাল দখল বাড়তেই আছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নূরপুর ও আটালু গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ১৬ ফুট প্রশস্থ একটি সরকারি খাল ইতোমধ্যে দখল করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নামে খতিয়ানভুক্ত উক্ত খালের পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে বাংলা বাড়ি। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান, প্রশাসক ও সহকারী ভূমি কমিশনার সদরের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এস এ রেকর্ডে মোহাম্মদপুর, দিপীকা, ইসলামপুর, নূরপুর ও অন্যান্য গ্রামের পাশ দিয়ে ১৬ ফুট প্রশস্থ একটি সরকারি খাল রয়েছে। এই খালের পানি ব্যাবহার করে এলাকার কৃষক ছাড়াও সরকারি ভাবে বিএডিসি কর্তিক ৯৯ একর ভূমিতে বীজধান উৎপন্ন হয়। তাছাড়া এলাকার পানি নিষ্কাশনের এক মাত্র খাল এটি। কিন্তু ইদানিং নূরপুর গ্রামের পূর্ব প্রান্তের ভূমির মালিক ফরাইজ, সেলিম, আনছার, রাজু, আক্তার, পিরানী পারুল ও এনজিও ফয়ছল বর্ণিত খাল ভরাট করে নির্বাণ করেছেন বাংলো বাড়ি।


সর্বশেষ খবরে জানা যায় টিল্লা খালেদ  নামীয় ব্যক্তি সরকারি অনুমোদন না নিয়ে খালেদ আবাসিক প্রকল্প সৃষ্টি করে জনবানবশূণ্য ভূমিতে অসংখ্য সরকারি বৈদ্যুতিক খুটি স্থাপন’সহ ভুয়া মসজিদ ও মাদরাসার নাম ফলক ঝুলিয়ে ভূমি ব্যবসার নামে হাইড্রলিক ট্রাক দ্বারা সরকারি ছড়া ভড়াট করিতেছেন।

এতে সাতটি কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাছাড়া বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের অভাবে সৃষ্টি হবে জলাবদ্ধতা। ফলে নির্মাণাধীন কাজ বন্ধ ও সরকারি ভূমি উদ্ধারের মাধ্যমে কৃষক সমাজকে দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আশু পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান এলাকাবাসী।


সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট