স্মৃতিময় দিন ও সংগঠন নিয়ে কিছু কথা : বিএনপি নেতা হাজী হাবীব

প্রকাশিত: ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০২০

স্মৃতিময় দিন ও সংগঠন নিয়ে কিছু কথা : বিএনপি নেতা হাজী হাবীব

১৫ নভেম্বর ২০২০, রোববার : ১৩ নভেম্বর ২০১৩ সালে ইউরোপের বিএনপির নেতৃবন্দ ব্রাসেলস ইউরোপিয়ান কমিশনের সামনে নিরপেক্ষ তত্বাবদায়ক সরকারের বাতিল করা আইন ফিরিয়ে এনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবীতে স্বারকলিপি প্রদান ও সমাবেশ। তখন ফ্রান্স বিএনপির কোন কমিটি ছিল না , যেখানে ফ্রান্স বিএনপির কমিটি বিহীন চার জন সিনিয়র নেতার সমন্বয়ে ফ্রান্স বিএনপির কার্যক্রম চলছিল। যথাক্রমে হাজী হাবীব, আহসানুল হক বুলু, সৈয়দ সাইফুর রাহমান, এম এ তাহের । সেই দিন সমাবেশ সফল করতে চার নেতায় ৪ টি বাসে ও ১০ প্রাইভেট কারে প্রায় তিন শত নেতা কর্মী নিয়ে ব্রাসেলস আমরা যাই সমাবেশকে সাফল্যমন্ডিত করতে। উল্ল্যেখ ইউরোপের যে কোন দেশে দেশ এ দেশের জনগনের দাবী আদায়ের লক্ষে কর্মসূচিতে ফ্রান্স বিএনপির উপস্থিতি সরব ছিল, আছে। যেখানে ফ্রান্স বিএনপি উপস্থিতি নেই সেই সব কর্মসুচি হয় নিরামিষ !! ইউরোপের সেই শক্তিশালী ফ্রান্সের হাজার হাজার নেতাকর্মী হতাশ ২০১৪ সালের গঠিত কমিটি ২০১৭ সালে বাতিল করার পর আজও কোন উদ্দ্যোগ নেই, ফ্রান্স বিএনপির না হওয়াতে ফ্রান্সে দলীয় কোন সভা সমাবেশ এমন কি দলীয় কোন দিবস পালিত না হওয়াতে সর্বস্তরের নেতাকর্মী চরম ভাবে হতাশাগ্রস্ত। একাধিক বার দলের ভারপ্রাপ্তে চেয়ারম্যান তারেক রহমানে সাথে কথা বলে নতুন কমিটি গঠনের জন্য দাবি জানানো হয়েছে । আমরা আশায় রয়েছি ফ্রান্স বিএনপির নেতাকর্মী সমর্থক শুভাকাংখিরা দেশের ভিবিন্ন ইউনিটের গঠিত কমিটির নিয়মিত কর্ম তালিকায় ফ্রান্স তথা ইউরোপের ভিবিন্ন দেশের বিএনপির গতিশীল করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রবাসে শুধু দলের জন্য নেতৃত্ব বা কমিটি শুধু নয়, স্ব স্ব দেশে জাতিয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসীরা দুর্বল নেতৃত্ব আর দীর্ঘ মেয়াদি কমিটির মারপ্যাচে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সামাজিক কার্য্যক্রম ও ন্যায় সংগত নেতৃত্ব গঠনে চরম অন্তরায় সৃষ্টি করা হচ্ছে। কেন জানি মনে হয় দলের ভিতরে থাকা কোন অপশক্তি কাজ করে যাচ্ছে, যাহাতে ইউরোপে বিএনপি শক্তিশালী না হয় । এখানে-তো দেশের মতো সরকারের কোন বাঁধা বিপত্তি বা প্রতিকুল পরিস্থিতি নয় ? তবে কেন কমিটি ঘটনে দীর্ঘসুত্রীতা। ভাবছি আগামিতে একখান খোলা চিটি পেশ করবো দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামী দিনের রাষ্ট্রের আসা আকাংখার প্রতিক জনাব তারেক রাহমান বরাবরে। আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদেরদুঃখ-দুর্দশার কথা বলে। ইউরোপের দিকে একটু সুনজর দিলে, উনার পদক্ষেপে প্রতিটি আশপাশ দেশে সুন্দর কমিটি হলে, গঠনতন্ত্র মোতাবেক প্রতি দুই বছর পর পর যেমন ভাল নেতৃত্ব তৈরী হবে, মেধা যাচাইয়ের সুযোগ হবে কমিউনিটি থেকে, আত্বিয়তা স্বজনপ্রীতি রুদ্ধ হবে তেমনী দলের দুর্দিনে নির্যাতিত নিপিড়িত নেতাকর্মীদের জন্য ভাল কিছু করা সম্ভব হবে ।


  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট