কানাইঘাটে স্ত্রী হত্যাকারী মরম আলী বিয়ানীবাজার সীমান্তে আটক

প্রকাশিত: ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০২০

কানাইঘাটে স্ত্রী হত্যাকারী মরম আলী বিয়ানীবাজার সীমান্তে আটক

সিলেটের কানাইঘাটে স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় স্বামী মরম আলীকে (৩২) কে আটক করেছে র‌্যাব-৯। শনিবার সন্ধ্যায় বিয়ানীবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
এর আগে নিহতের মা কালিনগর আগফৌদ গ্রামের আব্দুল খালিকের স্ত্রী জলিকা বেগম বাদী হয়ে গত শুক্রবার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (থানার মামলা নং- ২২ তারিখ ১৬/১০/২০২০, ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০)। মামলায় নিহত ফাতেমা বেগম (২৩)’র স্বামী মরম আলীকে প্রধান আসামী ও আরো ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়।
উল্লেখ্য, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে গত বৃহস্পতিবার রাতে ফাতেমা বেগমকে তার পিত্রালয়ে আলাদা ঘরে শ^াসরুদ্ধ করে হত্যার করে পালিয়ে যায় তার স্বামী একই গ্রামের জালাল উদ্দিনের পুত্র মরম আলী।
শুক্রবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও সিলেট সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের একটি দল ফাতেমার লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ফাতেমার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় এবং তার মুখ ও কান দিয়ে রক্ত বের হতে দেখতে পান তারা। এ হত্যাকান্ডের সাথে ফাতেমা বেগমের স্বামী মরম আলী ছাড়াও আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি-না সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় এক বছর পূর্বে অন্য স্বামীর ঘর থেকে পালিয়ে এনে ফাতেমা বেগমকে বিয়ে করে মামাতো ভাই মরম আলী। বিয়ের পর থেকে মরম আলী তার বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর বাড়িতে আলাদা ঘরে ফাতেমাকে নিয়ে বসবাস করত। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি লেগে থাকতো।
র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি ওবাইন জানান, হত্যাকান্ডের পর থেকে ভিকটিমের স্বামী পলাতক ছিল। এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানা পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে জোর তৎপরতার চালায়। শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে র‌্যাব-৯ সিলেটের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল আবু মুসা মো. শরীফুল ইসলাম পিএসসি, এএসসি এর নেতৃত্বে বিয়ানীবাজার থানার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ভিকটিমের স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়। মরম আলীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট