খাদিমপাড়া হাসপাতালে কোভিড চিকিৎসার উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২০

খাদিমপাড়া হাসপাতালে কোভিড চিকিৎসার উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনাভাইরাস আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে যাত্রা শুরু করলো সিলেট সদরের শাহপরান এলাকার “খাদিমপাড়া ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল”। আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন সিলেট-১ আসনের সাংসদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।


করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সিলেটের লোকজনকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালেও করোনা আইসোলেশন স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। সিলেটে এই রোগটা ক্রমাগত বাড়ছে। মন্ত্রী খাদিম হাসপাতালটি চালু করতে প্রবাসীসহ যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শনিবার দুপুরে সিলেট শহরতলীর খাদিমপাড়া ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাসপাতালের উদ্বোধনকালে খাদিমপাড়া হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সুলতানা রাজিয়া, জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, বিভাগীয় সহকারী স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. আনিসুর রহমান, সিলেট জেলা সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, খাদিমপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আফছর আহমদ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সিলেটে কোভিড-১৯ চিকিৎসার বিশেষায়িত হাসপাতাল শহীদ ডা: শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় চালু করা হলো এ হাসপাতালটি। হাসপাতালটি চালুর ক্ষেত্রে সব ধরণের সহযোগিতা দিয়েছে সিলেট কিডনী ফাউন্ডেশন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আপাতত চিকিৎসক, নার্সসহ ৪০ জনের মত জনবল এবং অক্সিজেনসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম নিয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরবর্তীতে আরো জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে কিডনি ফাউন্ডেশন জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জামাদিসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করছে। কিডনি ফাউন্ডেশন ১৩ জন জনবল নিয়োগ দিয়েছে। তবে কোভিড-১৯ রোগী পরিবহনের জন্য আ্যম্বুলেন্স ছাড়াই চালু হয়েছে হাসপাতালটি। এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন বলেন, গত ২৩ জুন অ্যাম্বুলেন্সের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আবেদন করা হয়েছে।
করোনা সংক্রমণের শুরুতে সিলেটে চিকিৎসার জন্য আইসিইউ সুবিধাসহ ১০০ শয্যার শামসুদ্দিন হাসপাতালেই চালু করা হয় সেবা কার্যক্রম। এরই মধ্যে আক্রান্ত ও উপসর্গ রোগীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় রোগীতে ভরে গেছে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল।


  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট