কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের স্ত্রী করোনামুক্ত

প্রকাশিত: ১০:২৯ অপরাহ্ণ, জুন ৫, ২০২০

কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের স্ত্রী করোনামুক্ত

আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনার করোনাভাইরাস নেগেটিভ এসেছে। পাশাপাশি কাউন্সিলর খোরশেদের করোনা পজিটিভ এসেছে।

তবে স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা করোনার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফুসফুসের ৫০ ভাগ অক্সিজেন না পাওয়ায় আরও কিছুদিন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকবেন তিনি। এরই মধ্যে শুক্রবার (৫ জুন) করোনা নিয়েই নারায়ণগঞ্জের বাসায় ফিরেছেন খোরশেদ। তবে তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছেন কাউন্সিলর খোরশেদ।

তিনি বলেন, ‘৩০ মে আমার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তবে আমি ভেঙে পড়িনি। এর আগে আমার স্ত্রীর করোনা পজিটিভ এসেছিল। শুক্রবার লুনার করোনাভাইরাস নেগেটিভ এসেছে। তবে আমার পজিটিভ এসেছে। রিপোর্টে পজিটিভ আসলেও উপসর্গ না থাকায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে আমাকে। তবে আগামী সাতদিন বাড়িতেই আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নেব আমি।’

কাউন্সিলর খোরশেদ বলেন, করোনা থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় লুনা। বর্তমানে লুনা করোনামুক্ত হলেও এখনও পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তাকে আরও কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে। নারায়ণগঞ্জবাসীর ভালোবাসায় আমরা ভালো আছি; সুস্থ আছি।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা প্রথমে করোনায় আক্রান্ত হন। স্ত্রীর পর খোরশেদও করোনায় আক্রান্ত হন।

৩০ মে খোরশেদের স্ত্রীর অবস্থার অবনতি হলে কাঁচপুরের সাজেদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্ত্রী লুনার জন্য আইসিইউ সাপোর্ট পেতে ওই দিন থেকে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন খোরশেদ। সাজেদা হাসপাতালে থাকা অবস্থায় তাদের খোঁজখবর রেখেছেন এমপি শামীম ওসমান। পরে লুনার অবস্থার অবনতি হলে শামীম ওসমানের সহায়তায় স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই সঙ্গে খোরশেদকেও সেখানে ভর্তি করা হয়।

করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফন করতে গিয়ে ৩০ মে করোনায় আক্রান্ত হন খোরশেদ। খোরশেদ করোনায় আক্রান্ত হলেও তার টিম সক্রিয় ছিল। টিমের লোকজন করোনায় মৃতদের দাফন করেছেন।


  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট