‘সিলেটে ঈদের জামাত শেষে কোলাকুলি ও হাত মেলানো যাবে না’

প্রকাশিত: ৪:২৯ অপরাহ্ণ, মে ২৩, ২০২০

‘সিলেটে ঈদের জামাত শেষে কোলাকুলি ও হাত মেলানো যাবে না’

সিলেটে এবার ঈদের প্রধান জামাত ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে হচ্ছে না। কেবল ঈদগাহই নয়, সিলেটের কোথাও উন্মুক্ত স্থানে ঈদের জামাত হবে না। ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল আটটায় দরগাহে হযরত শাহজালাল (র.) জামে মসজিদে। তবে, মসজিদের বাইরে কেউ নামাজে অংশ নিতে পারবে না।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের(এসএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এমন তথ্য।
এসএমপি’র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুসা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত নির্দেশাবলি অনুসরণপূর্বক নিম্নবর্ণিত ১৩টি শর্ত পালন করে সিলেট নগরবাসীকে ১৪৪১ হিজরি/২০২০ সালের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামায়াত আদায়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শর্তসমূহ হচ্ছে-
১. ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে নামাজ আদায় করা। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াত আদায়।
২. ঈদের নামাজের জামাতে মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লীগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জীবানুমুক্ত করে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।
৩. করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে ওযুর স্থানে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা।
৪. মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখা।
৫. প্রত্যেকের নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে মসজিদে আসা এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধোয়া।
৬. ঈদের নামাজের জামাতে আগত মুসল্লীকে অবশ্যই মাস্ক এবং নিজস্ব টুপি পরে মসজিদে আসতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
৭. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে।
৮. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।
৯. শিশু, বায়োবৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
১০. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত কল্পে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
১১. করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরষ্পর হাত মেলানো পরিহার করা।
১২. করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়ার করার জন্য খতিব ও ইমামগণের প্রতি অনুরোধ এবং
১৩. বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবেন খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি।


  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট