ছাতকের হাওরে ধান কাটতে কৃষকের পাশে কাঁচি হাতে ইউএনও

প্রকাশিত: ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২০

ছাতকের হাওরে ধান কাটতে কৃষকের পাশে কাঁচি হাতে ইউএনও

কৃষকদের সংকটে পাশে নেমে ভরসা যুগাচ্ছেন সুনামগঞ্জ ছাতকের ইউএনও, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা। সরকারী নির্দেশনায় দ্রুত ধান কাটার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতেই মূলত তাদের এ বাস্তবিক সহযোগিতায়। কাঁচি হাতে হ্ওারে কৃষকদের পাশে প্রশাসনিক কর্তাদের এমন উদ্যোগে মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে দারুনভাবে। করোনা পরিস্থিতিতে চলতি বোরো ধান গোলায় তোলা নিয়ে অপ্রত্যাশিত সংকটে হ্ওারের কৃষকরা। একদিকে করোনা আতংক, শ্রমিক সংকট, প্রতিকূল আবহাওয়ার শংকা। বিশেষ করে শ্রমিক সংকটে নিরূপায় কৃষক। সেই সংকটে মাথায় হাত পড়েছে ধানের ভান্ডার নামে খ্যাত সুনামগঞ্জের কৃষকদের। দূর্যোগে কৃষকের পাশে সরাসরি মাঠে নেমে এসেছেন ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কবির। কাঁচি হাতে প্রতীকি ভাবে বোরো ধান কাটায় নেমে পড়েন তিনি। কার কৃষকবান্ধব এমন মানসিকতা ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে কৃষকদের মন মেনাজে। নিরাশার মধ্যে সহযোগিতার এমন দৃশ্যে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে উদ্যোগি করেছে। ফ্রিতে ধান কেটে দেয়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলে ধরছেন যোগাযোগের সংশ্লিষ্ট তথ্য। এক পরিবহন শ্রমিক খালেদ মিয়া ফেসবুকে কমেন্টস করেছেন, ধান কাটার শ্রমিক সংকট সহযোগিতায় ৩০-৩৫ জনকে নিয়ে টিম গঠন করেছেন তিনি। হাসনাবাদ এলাকার হাওরে বোরো ধান কাটায় সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত আছেন। এদিকে অকাল বন্যার আশংকায় আগামী এক সপ্তার মধ্যে ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কবির। মঙ্গলবার ভাতগাঁও ও দেখার হাওরে প্রতীকি হিসেবে বোরো ধান কাটার সময় কৃষকদের উদ্দেশ্যে বোরো ফসল দ্র“ত ঘরে তোলার আহবান জানান তিনি। করোনা পরিস্থিতির কারনে অন্য পেশার বেকার হওয়া শ্রমিকদের বোরো ফসল কাটার কাজে ব্যবহারের জন্যও তাদের উদ্ভুদ্ধ করছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার বিভিন্ন হাওরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কাঁচি হাতে ধান কাটতে দেখা গেছে সহকারী কমিশনার(ভুমি) তাপস শীল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌহিদ হোসেন খান, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল, ভাতগাওঁ ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার আওলাদ হোসেন, সিংচাপইড় ইউপি চেয়ারম্যান মুজাহিদ আলীসহ কর্মকর্তা ও একাধিক জনপ্রতিনিধিদের ।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট