আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে থাকছে না সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে থাকছে না সেনাবাহিনী

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি) নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে এবার সেনাবাহিনী থাকছে না। বুধবার (২২ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই বৈঠকে অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো অংশ নিলেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়নি।

এ দিকে, গত এক মাসে পাঁচটি সংসদীয় আসন শূন্য হয়েছে। এর মধ্যে একটি পদত্যাগ আর বাকি চারটি আসন শূন্য হয়েছে সংসদ সদস্যের (এমপি) মৃত্যুজনিত কারণে। শূন্য হওয়া আসনগুলো হলো—বগুড়া-১, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪, যশোর-৬ ও ঢাকা-১০ আসন। সদ্য শূন্য হওয়া এই আসনগুলোতে নির্বাচন কবে হবে তা নির্ধারণ করতে আগামী মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ইসি সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই দিন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনের তারিখও নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের ৫৮তম সভা শেষে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর এসব তথ্য জানান।

ঢাকা সিটি নির্বাচন নিয়ে বুধবার (২২ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসি বৈঠক করবে। এর আগে, বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও এই বৈঠকে ডাকা হতো। কিন্তু আগামীকালের বৈঠকে সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়নি।

নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব থাকে। সেই নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়। সিটি নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তাই এখানে সেনাবাহিনীকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এ কারণে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সভায় ডাকা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, তবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের জন্য টেকনিক্যাল ব্যক্তি হিসেবে থাকবে, যারা ইভিএম এক্সপার্ট। তারা সেনাবাহিনীর ফোর্স হিসেবে থাকবে না বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য থাকবে না।

সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে রাখা হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, এবার কোনোভাবেই সেনাবাহিনীকে রাখা হবে না।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট