বর্জ্য সংগ্রহে বালতি ও প্লাস্টিক ব্যাগ প্রদান সিসিকের

সিলেট বিভাগ

সিলেট সিটি করপোরেশন আরো দ্রুততম সময়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যে নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নেওয়া নতুন এই প্রকল্পের আওতায় নগরীর প্রত্যেকটি বাসাবাড়িতে উৎপাদিত বর্জ্য সংগ্রহের জন্য দেওয়া হবে দুইটি বালতি ও একটি ব্যাগ। সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির নেওয়া এই পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় ১৮নং ওয়ার্ডের ৬০০টি বাসাবাড়িতে দেওয়া হবে এসব বর্জ্য সংগ্রহের সরঞ্জাম।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডে প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় সিসিক মেয়র বলেন, ‘সিলেট নগরীকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ এই পরীক্ষামূলক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। চলমান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে নতুন এই প্রকল্পটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাসাবাড়িতে উৎপাদিত বর্জ্য সংগ্রহ করা এবং সংগ্রীহিত বর্জ্য ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি পৃথক পৃথক বর্জ্য সংগ্রাহক সরঞ্জাম দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পে সুফল পাওয়া গেলে পরবর্তীতে পুরো নগরীতে এর বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান মো. হানিফুর রহমান জানান, আগামী তিনদিনের মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের ৬০০টি বাসাবাড়িতে পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের বর্জ্য সংগ্রাহক সরঞ্জাম দেওয়া হবে। একটি করে লাল ও নীল প্লাস্টিকের বালতি এবং একটি প্লাস্টিক ব্যাগ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, লাল বালতিতে বাসাবাড়িতে উৎপাদিত অপচনশীল দ্রব্য যেমন ভাঙ্গা প্লাস্টিক বা কাঁচ জাতীয় জিনিস, ঔষধের খোসা, সিরিঞ্জ ইত্যাদি। নীল বালতিতে ঘরে উৎপাদিত সকল পচনশীল বর্জ্য এবং ব্যাগে প্লাস্টিক-পলিথিন ইত্যাদি আলাদা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীরা প্রতিদিন পচনশীল বর্জ্য অর্থাৎ নীল বালতি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন। এছাড়া লাল বালতি এবং প্লাস্টিক ব্যাগে সংগ্রীহিত বর্জ্য প্রয়োজন অনুযায়ী সংগ্রহ করবে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, মেয়রপত্নী সামা হক চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান মো. হানিফুর রহমান।

Leave a Reply