খালেদা জিয়া’র মামলা নিয়ে ভাবছে না সরকার

রাজনীতি

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিচারিক আদালত এতিমের টাকা চুরি করার জন্য খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের জেল দিয়েছিল। আপিল করার পর হাইকোর্ট ডিভিশন আপিল আদালত হিসেবে সেটাকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেছে। তিনি সাজা ভোগ করছেন। এখন তিনি সাজা ভোগ করছেন। আপিল বিভাগ তার জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সবই আদালতের ব্যাপার, আমাদেরকে কেন ভাবতে হবে যে আমরা খালেদা জিয়াকে নিয়ে কী করব? কেন চিন্তা-ভাবনা করব? আমি চিন্তা-ভাবনার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। আমরা অন্ততপক্ষে এটা নিয়ে এখন ভাবছি না।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে পাবনা আইনজীবী সমিতিকে বই কিনতে ৩০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার ওপর হামলা মামলা ও পল্টনে সিপিবি সমাবেশে হামলার রায়ের বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, দুটি রায়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটা হচ্ছে- চট্টগ্রামের ঘৃণীত অপরাধটা ১৯৮৮ সালে হয়েছে, ৩১ বছর পর এই বিচার শেষ হলো। সিপিবির বোমা হামলা ২০০১ সালে হয়েছে। এর মানে ১৯ বছর পর আমরা এর বিচার শেষ করতে পেরেছি। সন্তুষ্টি প্রথমেই যে অন্ততপক্ষে বিচারটি শেষ হয়েছে। এই দুটো বিচারের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো অপরাধীরা কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, যার যতই ক্ষমতা থাকুক না কেন।

দেশে সবার জন্য সমান আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত আছে কিনা- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ আছে, সবার জন্যই আছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আপনাদের এটাও মানতে হবে। যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি যেটা ছিল সেটা যথেষ্ট বছর যাবত ছিল। সেটার মূলোৎপাটন এত তাড়াতাড়ি করা যায় না। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শেখ হাসিনার সরকারের মাধ্যমে।

বাংলাদেশে এখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন,  কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আইনের মাধ্যমে সব অপরাধের বিচার হবে।

Leave a Reply