প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯

প্রেসিডেন্ট এম আবদুল হামিদ এবং তাঁর পত্নী রাশিদা খানম দেশের ৪৯তম বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আজ বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সবুজ চত্বরে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ উপলক্ষে আজ দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনের সবুজ চত্বরে কয়েক হাজার অতিথি উপস্থিত হন।

বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ ছিল সরকারি ছুটির দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর ওপর মিত্র বাহিনীর বিজয় স্মরণে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়।

এদিন পাকিস্তানী দখলদার বাহিনী বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করায় নয় মাসের মুক্তি যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর প্রেসিডেন্ট এম আবদুল হামিদ তাঁর পত্নী রাশিদা খানম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ আগত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁরা কুশল বিনিময় করেন।

প্রেসিডেন্ট এম আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি কেক কাটেন ও বেলুন উড়ান।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, মন্ত্রিসভার সদস্যবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্যবর্গ, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সিনিয়র আইনজীবীগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সম্পাদকবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বীর শ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যবর্গ, শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ববর্গ,পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট নাগরিকগণও যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে শাহিন সামাদ, তিমির নন্দী, ফাহমিদা নবী এবং আবু বক্কর সিদ্দিকসহ দেশের বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পীগণ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এ ছাড়া একদল শিশুশিল্পী ও একটি ব্যান্ড সঙ্গীত দলও সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট