বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরও অবনতি : ড্যাব

রাজনীতি

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ বলে জানিয়েছে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতারা। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে আবারও উদ্বেগ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ড্যাব ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান চিকিৎসক নেতারা।

সংগঠনটির ঢাকা উত্তর মহানগর সভাপতি ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যথাযথ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটে জেলখানায় প্রবেশ করেন। হেঁটে দোতলায় তার রুমে গেছেন। এমনকি জেলখানা থেকে এর আগের বারও যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আসেন তখন গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে হেঁটে নিজেই লিফট পর্যন্ত যান। কিন্তু তার আজকের এই অবস্থা কীভাবে হলো? সঠিক চিকিৎসার অভাবে এই অবস্থায় উপনীত হয়েছেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়াকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না বলেই তার শারীরিক অবস্থার এত অবনতি হয়েছে।

ডা. শামীম বলেন, অনেক দিন ধরে খালেদা জিয়া বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। তিনি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হাইলি অ্যাক্টিভ ডিফরমিং ও রিমেটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। জেলখানায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ায় এবং সেখানে স্বাভাবিক পরিবেশ না থাকায় ওইসব রোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন জটিলতার কারণে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ও পায়ের ছোট ছোট জয়েন্টগুলো ফুলে গেছে। এতে করে তীব্র ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। তিনি এখন অন্যের সাহায্য ছাড়া চলাফেরা ও ওঠাবসা করতে পারেন না। এমনকি হাত দিয়ে খাবার পর্যন্ত খেতে পারছেন না তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন— বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, ড্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি ডা. মো. আবদুস সেলিম, ড্যাব ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ডা. মাসুম বিল্লাহ, ডা. গালিব ও ড্যাবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

Leave a Reply