সিলেটে একই দিনে যুবদলের বিবদমান দু’গ্রুপের পৃথক সভার ডাক, সংঘর্ষের আশংকা

প্রকাশিত: ৯:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

সিলেটে একই দিনে যুবদলের বিবদমান দু’গ্রুপের পৃথক সভার ডাক, সংঘর্ষের আশংকা

১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার : সিলেটে দীর্ঘ ১৯ বছর পর জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠন হলে সংগঠনের ভেতরের নেতৃত্বের বিরোধ চরম আকার ধারন করেছে। পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। তারা একপেশে পকেট কমিটি বাতিলের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে সিলেটে নেতাকর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে।

সিলেট জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির প্রথম বর্ধিত সভা আগামীকাল বুধবার দরগাহ এলাকার হোটেল হলি সাইডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানা গেছে। কমিটির বিপক্ষে অবস্থানকারী জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী একই দিনে পাল্টা কর্মী সভার ডাক দিয়েছেন।

জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ওলি চৌধুরী স্বাক্ষরিত সোমবার বিবৃতিতে সিলেট জেলা যুবদলের আওতাধীন সকল কমিটির সিনিয়র নেতাদেরকে বুধবারের বর্ধিত সভায় উপস্থিত থাকার জন্য জেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে আজ মঙ্গলবার সন্ধায় যুবদলের পদবঞ্চিত বিবদমান অপর গ্রুপ কর্মীসভার ডাক দিয়েছে। যুবদল সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার কর্মীসভা আগামীকাল বুধবার বেলা ২টায় নগরীর সোবহানীঘাটস্থ আগ্রা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানয়িছেনে তারা। কর্মীসভায় যুবদলের সকল নেতৃবৃন্দকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানিয়েছেন জেলা শাখার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান ছাদিক।

এ ব্যাপারে জানার জন্য সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরীর সাথে মোঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিত কর্মীদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গঠন নিয়ে যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা না করেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঐ যুবনেতা এই কমিটি বাতিল করার দাবি জানান। তা না হলে কমিটি বাতিল না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নতুন কমিটির এক নেতা জানান, ১৯ বছরের পুরাতন কমিটি দিয়ে সংগঠনের কার্যক্রম চলে আসছিল। তাই সংগঠনের কাজে গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য যারা এতদিন দলের জন্য কাজ করেছে, সরকারের নানা নির্যাতন-জেল-জুলুম-হয়রানির শিকার হয়েছে- তাদের এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যারা নতুন কমিটির বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং করছে তারা হয়তো নানা কারণে অভিমান করে এটি করছে। আমরা সবাই এক আদর্শ ও মতাদর্শের রাজনীতি করি, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সব ঠিক করা হবে। এ নিয়ে আমি কোনো সমস্যা মনে করি না।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট