রোহিঙ্গাদের উস্কানি দিচ্ছে এনজিও : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২:১৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০১৯

রোহিঙ্গাদের উস্কানি দিচ্ছে এনজিও : তথ্যমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত না যেতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনারত কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) উস্কানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৮টায় চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ জেএমসেন হলে শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত ধর্ম মহাসম্মেলন  শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও ও তাদের কর্মকর্তারা উস্কানি দিচ্ছেন, যেন রোহিঙ্গারা  তাদের দেশে ফেরত না যায়। কারণ রোহিঙ্গারা এখানে থাকলে তাদের ফান্ড আসে। সেই ফান্ড পেয়ে এনজিওগুলো হৃষ্টপুষ্ট হয়। ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত ঘোষণার কিছু আগে এনজিওদের একটি অ্যালায়েন্স বিবৃতি দিয়েছে, মিয়ানমারে নাকি সেই পরিবেশ নেই। তারা এক্ষেত্রে আগেও রোহিঙ্গাদের প্ররোচনা দিয়েছে, এখনো দিচ্ছে।

মানবিক কারণে বঙ্গবন্ধুকন্যা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ওই সময় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসলেও এখন তা বেড়ে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সেখানকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ধ্বংস হয়েছে। উখিয়া টেকনাফের স্থানীয় জনগণ এখন সংখ্যালঘু। স্থানীয়রা প্রথমে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে নানাভাবে সহায়তা করেছিল। কিন্তু এখন রোহিঙ্গারা নানা অপরাধের সাথে যুক্ত হয়েছে। ইয়াবাসহ নানা ধরণের পাচারের সাথে যুক্ত হয়েছে। সেখানকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা করায় চীন ও ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের সহায়তা ও উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার কারণেই কিন্তু রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল। কিছু এনজিও তাদের উস্কানি দিচ্ছে, যাতে তারা ফিরে না যায়।’

আবারও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ফিরে যায়, সরকারের পক্ষ থেকে কুটনৈতিক তৎপরতা সহ নানা উদ্যোগ চলমান আছে। একই সাথে যারা উস্কানি দিচ্ছেন তাদের চিহ্নিত করতে সরকার কাজ করছে।

জাতীয় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি বাবুন ঘোষ বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাউজান পৌরসভার মেয়র শ্রী দেবাশীষ পালিত, জন্মাষ্টমী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. চন্দন তালুকদার প্রমুখ।

  •