জলাবদ্ধতায় চরম জন’দুর্ভোগে শাহপরাণ “বাহুবল আবাসিক এলাকা”

প্রকাশিত: ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০১৯

জলাবদ্ধতায় চরম জন’দুর্ভোগে শাহপরাণ “বাহুবল আবাসিক এলাকা”

২৯ জুন ২০১৯, শনিবার : সিলেট সদর উপজেলার ৪নং খাদিমপাড়া ইউনিয়নের আওতাধীন শাহপরান (রঃ) গেইট থেকে বাহুবল আবাসিক এলাকা ও গ্রীন ল্যান্ড হাউজিং এর বসবাসকারীদের একমাত্র রাস্তার পানি নিষ্কাশনের ড্রেন না থাকার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি পানির নিচে তলিয়ে যায়।

সিলেট সদর উপজেলার প্রশাসনের পাশেই ১ নম্বর বাহুবল সড়ক। সড়কটি সিলেট-তামবিল প্রধান সড়ক থেকে শাহপরাণ রঃ গেইটের সামন থেকে বের হয়ে দুটি আবাসি এলাকায় প্রবেশে করেছে। এই সড়কের পাশেই শাহপরাণ উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি কিন্ডারগার্টেন অবস্থিত। এছাড়াও পাশের আরেকটি গলিতে রয়েছে মা-মনি কিন্ডারগার্টেন । পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়ক বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে খালে পরিণত হয়। ফলে স্কুলগামী শিক্ষার্থী সহ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী জনগণকে চরম দুর্ভোগ পোতে হচ্ছে। এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে রোগী ও বৃদ্ধ ব্যক্তিদের নিয়ে সমস্যা পড়তে হয় স্বজনদের।

বাহুবল ইউনিয়ক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমদ জানান, বৃষ্টির পানি সড়কে জমে থাকার কারণে ১ নম্বর বাহুবল সড়কের পথচারীর পাশাপাশি সড়কের উভয়ে পাশের ব্যবসায়ীদেরকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি দোকানে প্রবেশ করায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। এ সময় ব্যবসাও বন্ধ থাকে। এতে ব্যবসায়ীদের দুর্দশার আর সীমা থাকে না।

গ্রীনল্যান্ডে হাউজিং এর বাসিন্দা আজিজুর রহমান খোকন বলেন, পরিকল্পিত ড্রেন না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি ঠিকমতো নামতে পারে না। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে। অনেকের বাসাবাড়িতেও পানি ঢোকার অবস্থা হয়। পচা পানির দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। হেঁটে যাওয়ার উপায় থাকে না।

এই সড়ক দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ স্থানীয় জনপ্রতিধি চলাচল করলে অজ্ঞাত কারণে সড়কটি উন্নয়নের কোন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। স্থানীয় জনগণের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী জনগণ দ্রুত পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট