বিয়ানীবাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে হাইকোর্ট থেকে নিষিদ্ধ হওয়া পণ্য

প্রকাশিত: ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ২, ২০১৯

বিয়ানীবাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে হাইকোর্ট থেকে নিষিদ্ধ হওয়া পণ্য

সম্প্রতি হাইকোর্ট থেকে ৫২টি পণ্য বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্বেও সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌরশহরসহ উপজেলার ছোট বড় হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ ভোগ্যপণ্য। সাধারণ মানুষের অসচেতনতা ও প্রশাসনের কোন তৎপরতা না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অবাধে বিক্রি করছেন এসব পণ্য।

বিএসটিআই’র পরীক্ষায় নিম্নমান ও ভেজাল প্রমাণিত হওয়ায় ৫২টি পণ্যকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। গত ১৩ মে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১০ দিনের মধ্যে বাজার থেকে এসব পণ্য প্রত্যাহার করে নিতে বলা হয়। কিন্তু এর পরও বিয়ানীবাজার পৌরশহরসহ উপজেলার হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ ভোগ্যপণ্য। সাধারণ মানুষের অসচেতনতা ও প্রশাসনের কোন তৎপরতা না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অবাধে বিক্রি করছেন এসব পণ্য।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিষিদ্ধ ৫২টি পণ্যের অনেকগুলো পাওয়া যাচ্ছে। দোকানগুলোতে এখনো নিষিদ্ধ যেসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে নিশিতা ফুডসের সুজি, প্রাণের কারি পাউডার, বাঘাবাড়ীর স্পেশাল ঘি, অমৃতের লাচ্ছা সেমাই, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, প্রাণের লাচ্ছা সেমাই, ডুডলি নুডলস, সান চিপস।

এ বিষয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উচ্চ আদালত ৫২টি পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন বলে তারা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছেন। সেগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের কথাও তারা জেনেছেন। তবে কোন কোন কোম্পানি এবং পণ্য এ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। তাই পণ্যগুলোর বিষয়ে এখনো তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।

বিয়ানীবাজার পৌর কিচেন মার্কেটের হোসেন আহমদ নামের এক ভোগ্যপণ্য ব্যবসায়ী বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে রমজানের পূর্বে দোকানে মাল তুলার পর উচ্চআদালত ৫২টি পণ্য নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু কোম্পানিগুলো তাদের বাজারজাতকৃত অনেক পণ্য এখনও ফেরত না নেওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। তাই লোকসানের হাত থেকে বাঁচতে ওই পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’

এ ব্যাপারে বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আরিফুর রহমান বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা করা ৫২টি পণ্য ক্রয়-বিক্রয় না করার জন্য আমরা ব্যাপক প্রচারণাও চালিয়েছি। শিগগিরই আরো অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট