খালেদা জিয়ার সম্মানে বিএনপির ৩০ টাকার ইফতার আয়োজন

প্রকাশিত: ১:১১ পূর্বাহ্ণ, মে ২৯, ২০১৯

খালেদা জিয়ার সম্মানে বিএনপির ৩০ টাকার ইফতার আয়োজন

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ৩০ টাকার মূল্যমানের সাথে মিল রেখেই রাজনীতিবিদদের একই মূল্যমানে ইফতার করালো বিএনপি। ত্রিশ টাকার এই ইফতারে ছিল দুইটা খেজুর, একটা জিলাপি, একটা বেগুনি, একটা পেঁয়াজু, ছোলাবুট ভাজি, মুড়ি এবং ছোট এক বোতল পানি। গতকাল সোমবার রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনের লেডিস কাবে এই ইফতার পার্টি হয়। এতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ২০ দলীয় ঐক্যজোট, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দসহ দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। ইফতার মাহফিলে ইফতার শুরুর আগে সংপ্তি বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আমাদের এই আয়োজনে অংশ নিতে হচ্ছে। আপনারা সবাই জানেন যে, গণতন্ত্রের মাতা, দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন তাঁকে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা মামলায় কারাগারে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এই রমজান মাসে যখন আমরা এখানে সমবেত হয়েছি, তখন তিনিও কারাগারে থেকে বন্দি অবস্থায় পিজি হাসপাতালের ছোট্ট একটি কে ইফতারের জন্য অপো করছেন। তাঁর ইফতারের জন্য সরকারের বরাদ্দ মাত্র ৩০ টাকা। সে জন্যই আজকে আমরা যে আয়োজন করেছি, সেই আয়োজন আমাদের সকল নেতাকর্মীর যে অনুভূতি, যে বেদনাবোধ। সে কারণে আজকে আমাদের ইফতারের আয়োজনও ত্রিশ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি। আমরা অভ্যাগত সুধীবৃন্দদের কাছে, আমাদের অতিথিদের কাছে অনুরোধ জানাবÑ আপনাদের কষ্ট হলেও আপনারা দয়া করে এটাকে স্বীকার করে নেবেন। শুধুমাত্র সেই নেত্রীর প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য। : বেগম খালেদা জিয়াসহ আটক নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য দোয়া চান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, আজকে জগদ্দলপাথরের মতো একটা জগদ্দল সরকার চেপে বসে আছে। সম্পূর্ণভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়ে, গণতন্ত্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসনব্যবস্থা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। একটা একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে দিয়েছে, রাষ্ট্রের স্তম্ভ ভেঙে দিয়েছে। আমরা একটা ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আসুন আমরা সবাই আল্লাহর কাছে এ থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করি। : ইফতারে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণফোরামের আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, মহসিন রশিদ, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোশতাক আহমেদ, আফসারী আমিন আহমেদ, জেএসডির আবদুল মালেক রতন, শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএম আকবর, বিকল্পধারার নুরুল আমিন ব্যাপারী, শাহ আহমেদ বাদল প্রমুখ। : ২০ দলের জামায়াতে ইসলামীর ডা. শফিকুর রহমান, হামিদুর রহমান আজাদ, আবদুল হালিম, তাসনীম আহমেদ, সেলিমুদ্দিন, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, সাবেক এমপি আহসান হাবিব লিংকন, খেলাফত মজলিশের অধ্য মুহাম্মদ ইসহাক, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমান, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, মুসলিম লীগের চেয়ারম্যান এএইচএম কামরুজ্জামান খান, মহাসচিব অ্যাডভোকেট জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, ন্যাপের এমএন সাওন সাদেকীন প্রমুখ ইফতারে ছিলেন। পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক শরীফউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, বরকতউল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল মান্নান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, শওকত মাহমুদ, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, হাবিবুর রহমান হাবিব, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ফজলুর রহমান, নাজমুল হক নান্নু, আবদুর রেজ্জাক খান, জিয়াউর রহমান খান, অধ্যাপক শাহিদা রফিক, বিজন কান্তি সরকার, আবদুল হাই শিকদার, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, আব্দুল আউয়াল খান, শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান কবির মুরাদ, মহাসচিব ড. এমতাজ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ঢাকা মহানগর দণি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিলন, ঢাকা মহানগর যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহবুব মাছুম শান্ত, ওমর ফারুক মুন্না, দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, রিয়াদ বিএনপির উপদেষ্টা বাবুল আহমেদ, বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান কবিরসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা ছিলেন। সদ্য সংসদে যোগ দেয়া সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তারও ইফতারে অংশ নেন। : কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের আশু আরোগ্য কামনাসহ আটক নেতাকর্মীদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহবায়ক শাহ নেছারুল হক। ইফতারের আগে ওলামা দলের সদস্যসচিব নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে কোরআন তেলওয়াত করা হয়।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট