সখী তুমি কার ? ঘুরে দাঁড়ানোর এখনই সময় !

প্রকাশিত: ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ, মে ৫, ২০১৯

সখী তুমি কার ? ঘুরে দাঁড়ানোর এখনই সময় !

আব্দুল ওয়ায়েছ চৌধুরী জুবায়ের : সখী তুমি কার ? সেই ৮৫ সাল থেকে আজ ২০১৭ সাল । আমাদের পরিচালকরা আটকে আছেন ঐ একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে । এর পেছনে সময় নষ্ট না করে তারা যদি মেধা ও যোগ্যতা খুঁজতেন তবে আমাদের পরিবার আজ অন্য রকম হতে পারতো । অবশ্য এর জন্যে তখনও তারা খেসারত দিয়েছেন, গত সপ্তাহ পর্যন্ত দিয়েছেন । এরপরও তাদের মানষিকতার কোন পরিবর্তন হয়নি , বরাবরের মতো এবারও তারা অন্যদের ওপর দোষ দিয়ে আয়েশের ঢেকুর তুলেই খালাস ।
বন্ধুরা,
পরিচালক এবং পরিবারের পরিচয় আমি আমার গত লেখায় দিয়েছি । হ্যাঁ , পরিচালক হচ্ছেন আমাদের গ্রুপ লিডাররা , আর পরিবার হচ্ছে বিএনপি । সখী হচ্ছি আমরা । আর আমাদের সংখ্যা অগুনিত । কিন্তু ঐ যে পরিচালকরা আমাদের ভাগ করে রেখেছেন, তাই আমরা সংগঠিত হতে পারিনা , অথচ আমরা একবার যদি পারতাম, তবে পরিচালকরাও সিরাতুল মুসতাকিমের পথে হাটতে বাধ্য হতেন, নতুবা বিদায় নিতেন ।

গত সপ্তাহেও আমাদের মান্যবর কিছু পরিচালক সখ-সখীদের প্রাধান্য দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন । পরিচালকরা আয়নার সামনে দাঁড়ান না , তাই ব্যর্থতার সকল দায় অনুজদের ( অনুসারী ) ওপর চাপান । এরপরও যখন বেকায়দায় পড়েন , তখন খুঁজতে থাকেন অনুজকে । নিজেরা একের পর এক ডিগবাজী দিলেও অনুজদের স্বাভাবিক আচরনকে সন্ধেহের চোঁখে দেখেন । প্রশ্ন তোলেন সখী তুমি কার ?
আমি কাউকে বিব্রত করতে চাইনা । তাই আমি আমার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথা মনের মাধুরীতে না মিশিয়ে এখানে তুলে ধরছি , এবং অবশ্যই বিচারের ভার বন্ধুদের ওপর ছেড়ে দিলাম ।
৮৫ সালের কথা । সবে মাত্র স্কুল শেষ করে কলেজে নাম লিখিয়েছি । একদিন সরকারী এম,সি ( ইন্টার ) কলেজের মধ্য বিরতিতে ক্লাস ছেড়ে বেরিয়ে দেখি ছাত্ররা মিছিল করছে । এক সময় আরেকটি মিছিল আমার সামনে দিয়ে যাবার সময় শ্লোগান দিল , সারা বাংলার জিয়ার সৈনিক —– । অবচেতন মনেই মিছিলটির পেছন পেছন হাটা শুরু করলাম । এই পর্যন্তই । পরদিন মধ্য বিরতিতে আর কোন মিছিলের দেখা পেলাম না । কলেজের বারান্দায় পায়চারী করছি, তখন দেখি একটি ক্লাস রোমে সেই মিছিলের মুখ গুলো পরষ্পর আলাপ করছে । আমি উঁকি দিতেই একজন আমাকে ইশারায় ডাকলেন । পরে জানলাম উনি এমদাদ হোসেন টিপু । পরিচয় হলো আলী আহমদ সহ আরো অনেকের সাথে । নানা তথ্য আদান প্রদানের এক পর্য্যায়ে আলী আহমদ আমার হাতে ধরিয়ে দিলেন ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য পদের ফরম ।
পরদিন ফরম ফিলাপ করে ঐ একই রোমে জমা দেয়ার সময় পরিচয় হলো আহমেদ আরেফ ভাইয়ের সাথে । রোম থেকে বেরুনোর সময় আলী আহমদ আমায় বলেন, তোমার বাসা সাপ্লাই । প্রতিবেশী সেজে কেউ তোমার সাথে যোগাযোগ করলে পাত্তা দিবে না । আমি বাসায় ফেরার পথে আমার বাল্যবন্ধু ও আলী আহমদ এর ক্লাসফ্রেন্ড আব্দুর রহিম টুকনের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করলে বুঝতে পারলাম সিলেট ছাত্রদল দু’ ভাগে বিভক্ত এবং আমাকে প্রথমেই যে সবক দেয়া হলো তা গ্রুপিং এর ।
৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে কর্তাব্যক্তিরা কমিটি করলেন । বাচ্চু সভাপতি আর আমি সম্পাদক । এরই মধ্যে জানালো হলো, আমাদের অভিষেক অনুষ্ঠান হবে । একদিন চিঠি পেলাম হোটেল হিলটাউনে আমাদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া । সন্ধ্যার সাথে সাথেই পৌঁছালাম হোটেলে । শুনলাম ছাত্রদল নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বসবেন প্রথমে দলের মহাসচিব কে এম ওবায়দূর রহমান । মিনিট দশ এক পর হাজির হলেন নেতা । অনানুষ্ঠানিক আলোচনা ৭/৮ মিনিট চলার পর হঠাৎ শুরু হলো শোরগুল । জনা সাতেক শ্লোগান দিয়ে হোটেলে ঢুকলো তর্কাতর্কীর এক পর্যায়ে ক্ষেপে গেলেন মহাসচিব । বের হয়ে যেতে বলেন সকল ছাত্রনেতাদের । ভেস্তে গেল আমাদের অভিষেক ।
দু:খ পেলাম । ৮৬-৮৭ শিক্ষা বর্ষে এলো কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন । ছাত্রদলের প্যানেল দেয়া হলো সবকটি কলেজে । এসময় খবর এলো ছাত্রদলের অপর অংশ পাল্টা প্যানেল জমা দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছে । আর এটা রুখতে আমরা প্রস্তুতি নিলাম । মনোনয়ন জমা দেবার শেষ দিন এমসি ইন্টার কলেজের মেইন গেট পাহারার দায়িত্ব পড়লো আমার ওপর । হোষ্টেল গেইটে বাচ্চু । বেলা পৌনে বারোটার দিকে সুশ্রী চেহারার এক ছেলের মোটর সাইকেলের পেছনে করে কলেজ গেটে এলেন আমার প্রতিবেশী পরিচালক । প্রথমে আমাদের সাথে কুশল বিনিময় করে তিনি কলেজে ঢুকতে চাইলে আমি বেশ বিনয়ের সাথেই তাকে বলি, ভাই আজ আর ঢুকে কাজ নেই, পরে একদিন আসেন । অবশ্য ইচ্ছে করলে মদনে যেতে পারেন ! আমার ম্যাসেজ উনি বুঝেছিলেন কি না, তা আমি না বুঝলেও গোটা ব্যাপারটা বুঝেছিল তাকে নিয়ে আসা ছেলেটি । সে ততোসময় মোটর সাইকেলটি ঘুরিয়ে উঠে বসার জন্যে তাড়া দিচ্ছিল । কথাবার্তার এক ফাঁকে তিনিও উঠে বসেন সিটে আর ছেলেটি উল্কার মতো দে ছুট ।
ঘটনাটি কিন্তু এখানেই শেষ হয়নি । এর রেশ ছিল পরবর্তী দু’বছর । এইচ এস সি পাশ করে আমি ঢাকা সিটি কলেজে ভর্তি হই । এসময় সিলেট জেলা ছাত্রদল পুর্নগঠিত হলে সেলিম ভাই সভাপতি, ফাহিম ভাই সা: সম্পাদক এবং আলী আহমদ সাংগঠনিক সম্পাদক হন । কিন্তু পূর্নাঙ্গ কমিটিতে ফুলকুঁড়ি আসরের সদস্যদের বিভিন্ন সম্পাদকের দায়ীত্ব দেয়া হলেও সামান্য সদস্য পর্যন্ত করা হয়নি আমাকে । এমসি কলেজের ঘটনার মাসুল আমি দিলাম , কিন্তু আমাকে দিয়ে যারা কান্ড ঘটালো তারাতো দিব্যি বড় পদ বাগিয়ে নিল ! একবারের জন্যেও আমাদের পক্ষে দাঁড়ালো না । এরপরও যদি আমার পরিচালকরা প্রশ্ন করে সখী তুমি কার , তবে আমি কি জবাব দেব বলেন ?

৯১ এর সাধারন নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঝাঁকে ঝাঁকে যোগদান শুরু হল বিএনপিতে বিশেষ করে ছাত্রদলে । হঠাৎ সংগঠন বড় হলে যা হয় , চেইন অব কমান্ড বলে কিছু থাকলো না । দৃষ্টি পড়লো কেন্দ্রের । ফরমান এলো । সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা করে সিলেট বিএনপির সকল পরিচালকরা গোপন বৈঠকে বসলেন জকিগঞ্জ ডাক বাংলোয় । গঠিত হলো সিলেট জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি । কেন্দ্রে জমা দিয়ে তা অনুমোদনের করিয়ে আনার দায়ীত্ব পাওয়া দায়ীত্বশীল পরিচালক যুগ্ম আহবায়কের ক্রম পরিবর্তন করে আতুর ঘরেই মেরে ফেললেন কমিটিকে । বাগ্মী ছাত্রনেতা এনামুল হক মুন্না আর মুহিন খাঁনের লাশের বিনিময়ে কমিটি কাজ করে গেলেও বিএনপির পরিচালকরা ভেতর ভেতর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের জন্যে ঠিকই কলকাঠি নাড়তে থাকেন । যার ধারাবাহিকতায় ৯৬ সালের ডিসেম্বরে গঠিত হয় নতুন কমিটি । সিলেট ছাত্রদলের শীর্ষ হাফডজন পরিচালকের ছাত্ররাজনীতি থেকে বিদায়ের সুযোগে আমি পেয়ে যাই সাধারন সম্পাদক পদ ।
এ যাত্রায়ও আমি ব্যর্থ । আরো অনেকের মতো আমি পরিচালক হতে পারলাম না , উল্টো ব্যবহার হলাম । ৯৮ এর শুরুতে বিয়ে করে সংসারী হবার পর আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়ার ইচ্ছা ব্যাক্ত করলে , বাধার সম্মুখিন হই । কিছুদিন পর কলেজ কমিটি গঠন করা নিয়ে আমার সাথে সমস্যা সৃষ্টি হয় । এক পর্য্যায়ে নিজেদের মধ্যে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ এড়াতে আমি পদত্যাগ করি । এসময় আমি অবাক বিষ্ময়ে চেয়ে দেখি , যাদের জন্যে আমার এই পদত্যাগ তারাই আধাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে ব্যানিফিসিয়ারী হবার জন্যে , আর অন্যদিকে আমার বা আমাদের প্রতিপক্ষ (?) যারা তারা পদত্যাগ প্রত্যাহার করানোর জন্যে কাজ শুরু করেছে । শেষ পর্য্যন্ত শীর্ষ পরিচালকদের পরামর্শে শর্ত সাপেক্ষে পদত্যাগ প্রত্যাহার করে নেই ঠিকই কিন্তু নিজেদের সম্পর্কে যে চিড় ধরে তা আজও মুছে যায়নি ।
৯৯ সালের মধ্য জুনের এক অলস দুপুরে বিএনপির এক শীর্ষ পরিচালক আমাকে ডাকেন তার বাসায় । আমি যাবার পর তিনি আমাকে টেলিফোনে আলাপ করিয়ে দেন , তাঁর পরিচালকের সাথে । আলাপকালে তিনি আমাকে কিছু দিকনির্দেশনা দিয়ে ছাত্রদলের নতুন কমিটি দাড় করানোর পরামর্শ দেন । এ সময় আমি তাঁকে বিনয়ের সাথে সিলেট বিএনপির শীর্ষ পরিচালক ও ছাত্রদলের দায়ীত্বশীলের নেতিবাচক ভূমিকার ব্যাপারে আলোকপাত করলে তিনি জানান এসব তিনি দেখবেন ।
যে কথা সেই কাজ । মোটামুটি প্রস্তুত । আমার আবার ডাক পড়ে ঐ বাসায় । আবার আলাপের জন্যে আমার দিকে রিসিভার এগিয়ে দেয়া হয় ! আমি কিছু বলার আগেই ওপ্রান্ত থেকে বলা হয় well done. Welcome to Dhaka.
দুদিন পর আমরা ঢাকা যাই । আমাদের সাথে না গেলেও সিলেট বিএনপির ওই পরিচালক আমাদের কথা দেন তিনি বিমানে করে হলেও যাবেন সময়মতো । না তিনি যাননি । আর যিনি আমাদের ডেকেছিলেন , তিনি আমাদের কেবল আশ্বাসই দিয়ে বিদায় জানান । আসলে আমি বোকা তাই আমি বুঝিনি যে , গোটা ব্যাপারটাই ছিল এক সাজানো নাটক । ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠত গ্রুপকে ভেঙ্গে দিয়ে নিজ অনুসারী গ্রুপের লোকজনকে পদায়ন করাই ছিল আসল উদ্দেশ্য । যার প্রমান পাওয়া যায় ২০০২-২০০৩ সালে গঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি গঠনের সময় । অবশ্য এর ক্ষেত্র আমরাই তৈরী করে দেই ওই সময় ঢাকা থেকে ফিরে কমিটির পক্ষ এবং বিপক্ষ হিসেবে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে । আর এর দায় আমি এড়াই কিভাবে ? কারন আমরাতো ওই সময় শুধু বিভক্ত হইনি , একে অপরের বাসা বাড়ীতে হামলা করেছি , মামলা করেছি জননিরাপত্তা আইনে । একজন আইনের ছাত্র হিসেবে আপোষে আমার বিড়ম্বনা হবে জেনেও দায় মোচনের জন্যে আপোষ করেছি ! কালো আইনে দায়ের করা মামলা না চালালে আমার ক্ষতি হবে সেটাতো আমার সিনিয়র আমাকে বলে দিয়ে সতর্ক করেছিলেন । এরপরও আমি মামলা না চালানোর জন্যে বাদী হিসেবে আমার সাজা হয় , আর আসামীরা খালাস পায় । এ ঘটনা সংশ্লিষ্ট সবাই জানতো কিন্তু এরপরও যখন দেখি সিলেট বিএনপির দায়ীত্বশীল পরিচালকরা রায় ঘোষনার পর পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে রায়কে স্বাগত জানায় , তখন তাদেরকে করুনা ছাড়া আর কি করা যেতো । কারন এরা নাকি এসময় ভুলেই গিয়েছিল ওই একই রায়ে খালাস ও সাজা দুটোই হয়েছিল !
আমার সাজা হওয়ায় যারা সন্তুষ্ট হয় , তাদের ওপর আমি অসন্তুষ্ট হলে তারা কোন বিবেচনায় আমার কাছে জানতে চায় , সখী তুমি কার ?
এম সাইফুর রহমানের আকষ্মিক মৃত্যু পরবর্তী সিলেট বিএনপি কার্যত দুভাগে পরিচালিত হতে থাকে । ইলিয়াস পন্থীর বিপরীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় তিন সদস্যের নেতৃত্বে চলে সাইফুর পন্থী । জিন্দাবাজারে সংঘর্ষও হয় । বিএনপির কেন্দ্রীয় এক ভাইস চ্যায়ারম্যান এসময় নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে ইলিয়াছ পন্থীদের সাথে মিশে যান । সাইফুর পন্থীদের সাইজ করতে এ সময় নজির বিহীনভাবে সিলেট মহানগরের আহবায়ককে বাদ দিয়েই পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয় । এর কিছুদিন পর এম ইলিয়াছ আলী গুম হলে ওই ভাইস চেয়ারম্যান একা ছড়ি ঘুরাতে থাকলে আবির্ভাব গঠানো হয় এক ব্যাবসায়ী নেতার । আর এর পেছনে কাজ করায় আমি হয়ে যাই টার্গেট । সময় গড়ানোর সাথে তাল মিলিয়ে পরিস্থিতিও বদলাতে থাকে । কেউ চেয়ারম্যান, কেউ মেম্বার , কেউ মেয়র আবার কেউবা হারানো ইজ্জত ফিরে পেতে একে একে আমার পরিচালকরা হাত মিলাতে থাকেন কেন্দ্রের ওই নেতার সাথে । তাদের এহেন আচরনে আমি বা আমরা দুষ্ট চক্র হিসেবেই বিবেচিত হতে থাকলে দীর্ঘ ১১ বছর মহানগরের দপ্তর সম্পাদক থাকার পরও আমার স্বীয় পরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত আহবায়ক কমিটিতে সদস্য পর্যন্ত হতে পারিনি । সমস্যা এখানে নয় , সমস্যা শর্ষেতে । যারা অপমান হলেন , তাদের ইজ্জত ফিরিয়ে দিতে কোন বাদ বিচার না করে যেখানে কাজ করলাম , সেখানে তাঁরা আপোষ করলেন , তাও না হয় ঠিক আছে, কিন্তু ঠিক হয়নি আপোষ প্রক্রিয়ায় আমাদের বাইরে রাখার । আমাদের সাথে নিয়ে ওই সময় চললে আজ পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারতো ! না এখানেও আমি হতাশ নই , কারন যে আমার পদ কেড়ে নিয়েছিলেন তিনি আজ বিএনপিতে নেই । আমি কিন্তু আছি ।

বাদ দেই স্বেচ্ছায় বনবাসে যাওয়া সেই নেতার কথা , বাদ দিতে পারতাম আমার পরিচালকদের কথাও ! পারিনি কারন তারা আজও চায়ের টেবিলে জানতে চায় সখী তুমি কার ?
বন্ধুরা,
এসব প্রশ্নের দাঁত ভাঙ্গা জবাব জানা আছে , কিন্তু কাকে দেব ? আমি জানি আমার আজকের লেখার পর খড়গ নেমে আসবে , আসুক । আমি শুধু সবাইকে বলবো বিএনপির আজকের এই দু:সময়ে সত্যিকার জিয়া প্রেমিরা পরিচালকদের বাদ দিয়ে নিজেরা বসুন , আমাকেও ডাকার প্রয়োজন নেই । আপনারা নিজেরা বসে পরষ্পর আলোচনা করুন । যার যে যোগ্যতা তাকে সে অনুযায়ী মূল্যায়ন করুন । পেশী নয় মেধাকে আমলে গ্রহন করুন । বিশ্বাস করুন এটা যদি আপনারা করতে পারেন, তবে পরিচালকদের ভিড় হবে আপনাদের ড্রয়িং রোমে । আর যদি ব্যার্থ হন , তবে আগামী দিনেও আপনাদেরকে তাদের লেজুড় হয়ে থাকতে হবে । তাই একবার ঘুরে দাঁড়ান প্লিজ ! এখনই সময় ।
আপনাদের এই একটি সিদ্ধান্তই সিলেট বিএনপির আগামী দিনের রাজনীতিকে বদলে দিতে পারে ।



 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট