যেখানেই থাক খালেদা জিয়া আমাদের প্রেরণার উৎস : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত: ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০১৯

যেখানেই থাক খালেদা জিয়া আমাদের প্রেরণার উৎস : মির্জা ফখরুল

হতাশার বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আপনারা হতাশ হবেন না। হতাশার কথা শুনতে চাই না। বিএনপি এখনও নিঃশেষ হয়ে যায়নি। খালেদা জিয়া জেলে থাকুন আর বাইরে থাকুন তিনিই আমাদের প্রেরণার উৎস। তিনি আমাদের শক্তি, সাহস।

তিনি বলেন, বারবার চেষ্টা হয়েছে বিএনপিকে ভেঙে ফেলার। বারবার চেষ্টা হয়েছে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার। কিন্তু সম্ভব হয়নি। বিএনপি প্রতিবারই জনগণের শক্তি নিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে শত নাগরিক কমিটি আয়োজিত একটি বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পরে মির্জা ফখরুল বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ এবং কবি ও নজরুল গবেষক আবদুল হাই শিকদারেরর লেখা ‘খালেদা জিয়া: তৃতীয় বিশ্বের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা হতাশ হবেন না। আমরা আর হতাশার কথা শুনতে চাই না। মনে রাখবেন, বিএনপি নিঃশেষ হয়ে যায়নি।

তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিটি সঙ্কট কাটিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে, জনগণকে নিয়ে। কারণ, বিএনপি এদেশের জনগণের প্রাণের দল। বহুবার দলটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। এখনো সে চেষ্টা অব্যাহত আছে। বিএনপিকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করবারও চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু, ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হতে পারেননি। বারবার জনগণের শক্তি নিয়ে বিএনপি উঠে দাঁড়িয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জেলে থাকুন আর বাইরে থাকুন, তিনিই আমাদের প্রেরণার উৎস। তিনিই আমাদের শক্তি, রাজনীতির সাহস।

খালেদা জিয়াকে জীবন্ত কিংবদন্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনানায়ককের স্ত্রী খালেদা জিয়া। হঠাৎ করে তিনি কিন্তু ক্ষমতায় বসে পড়েননি। দীর্ঘ ৯ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে জনগণকে ভালোবেসে, তাদের ভালবাসায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীন বাংলাদেশে দুজন মানুষের অবদান সবচেয়ে বেশি। তার একজন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অপরজন খালেদা জিয়া।

মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান এদেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র নিয়ে এসেছিলেন। এই সময়টা আমাদের মনে করতে হবে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র বলতে যা কিছু, এর সব অবদান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার।’

শত নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

  •