স্টেশনের বাইরেও বিক্রি হবে ট্রেনের ঈদ টিকিট : রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৫:৩৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৯

স্টেশনের বাইরেও বিক্রি হবে ট্রেনের ঈদ টিকিট : রেলমন্ত্রী

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ছাড়াও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ঈদের সময়ের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, ভোগান্তি রোধ ও জালিয়াতি রুখতে এবার পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির পদ্ধতি পরিবর্তন করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের এ জানান তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, রেলস্টেশনের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), তেজগাঁও, বসুন্ধরা ইত্যাদি এলাকা থেকে টিকিট বিক্রি করা হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিদিন বাংলাদেশ রেলওয়েতে যাত্রী পরিবহন হয় দুই লাখ ৬০ হাজার। ঈদের সময় যাত্রীসংখ্যা বেড়ে হয় তিন লাখে।

মন্ত্রী কমলাপুর রেলস্টেশনের পরিচ্ছন্নতাসহ সার্বিক বিষয় পরিদর্শন করেন এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিযোগ শুনেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, চলতি মাসের মধ্যেই রেলওয়ে অ্যাপস চালু হতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ চালু হলে রেলওয়ে যাত্রীদের সেবায় আমূল পরিবর্তন আসবে। তখন আর কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে না যাত্রীদের। অনলাইনের মাধ্যমে অ্যাপস ব্যবহার করে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন ঘরে বসেই। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে এভাবে ভোগান্তি নিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে না। বর্তমান সরকার রেলের সেবা বাড়াতে, সাজাতে কাজ করছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, আসছে পয়লা বৈশাখে আমরা ঢাকা-রাজশাহীর মধ্যে একটি বিরতিহীন ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করছি আমরা ট্রেনটি চালু করতে পারবো। ইন্দোনেশিয়া থেকে কোচ আনা হয়েছে সেগুলো সংযোজন করা হবে ট্রেনটিতে। এই ট্রেনটি বিরতিহীন হওয়ায় অন্য কোনো স্টেশনে দাঁড়াবে না। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহী থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়া আসা করতে পারবেন যাত্রীরা।

মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানান, টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। এবার অ্যাপ চালুর ফলে সচেতন যাত্রীরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে এই অ্যাপস ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া আমরা চিন্তা করছি রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে টিকিট বিক্রির উদ্যোগ নিতে। রেলওয়েকে এগিয়ে নিতে আমরা বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশা করা যায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে জনগণ রেলের সর্বোচ্চ সেবা পাবেন।

এসময় রেলওয়ে মহাপরিচালক, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং কমলাপুর স্টেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট