সিলেট-তামাবিল সড়কে ঢালাইয়ের পরদিনই ফাটল

প্রকাশিত: ১:৫৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০১৯

সিলেট-তামাবিল সড়কে ঢালাইয়ের পরদিনই ফাটল

মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির : সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সংস্কার কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠেছে। ওই সড়কে সিসি ঢালাইয়ের পরদিনই দেখা দিয়েছে ফাটল।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ও পর্যটন খ্যাত সিলেট-তামাবিল-জাফলং মহাসড়কটি জৈন্তাপুর হতে জাফলং পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন হয়। টেন্ডারের মাধ্যমে এই কাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএসবিএস। গত ৪ মাস আগে প্রতিষ্ঠানটি মহাসড়কটির কাজ শুরু করে।

সম্প্রতি মহাসড়কের জৈন্তাপুর উপজেলার মোরগার পুল (ব্রিজ) হতে ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত রাস্তার একটি অংশের প্রায় ৪০ মিটার ৪ ইঞ্চি সিসি ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে। ঢালাই কাজের পরদিনই সিসি ঢালাইয়ে ফাটল দেখা দেওয়ায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তার সিসি ঢালাইয়ের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসব ফাটলে সিমেন্ট বালু দিয়ে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ফাটল দেখা দেওয়ার পর পরই তা আড়াল করতে দ্রুত আরসিসি ঢালাই কাজের জন্য রড বাঁধার কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এবিষয়ে জানতে প্রজেক্ট ম্যানেজার আনোয়ার হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি ফাটলের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সিসি ঢালাইটি মূলত আরসিসি ঢালাইয়ের নিচের অংশটি শক্ত রাখার জন্য করা হচ্ছে। ফাটল হলেও আরসিসি ঢালাই কাজের কোন সমস্যা হবে না বলে তিনি জানান।

এবিষয়ে সড়ক ও জনপথের উপ সহকারী প্রকৌশলী মাসুম আহমদ বলেন- এরকম ফাটল হয়ত বেশি সিমেন্ট দেওয়ার ফলে হতে পারে। তবে বিষয়টি তিনি সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান।

সওজের সিলেট জোনের প্রকৌশলী রস্তুম খান বলেন, সিমেন্ট বেশি হওয়ার কোন সুযোগ নেই। যেহেতু সম্পূর্ণ আধুনিক পদ্ধতিতে মান নিয়ন্ত্রণ করে সিসি ঢালাই মসলা তৈরি করা হয়। তিনি আরও বলেন, ঢালাই ছাড়ার ৪ ঘন্টা পর পানি প্রয়োগ করার কথা, কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সঠিক সময়ে পানি না দেওয়ায় এই ফাটল দেখা দিয়েছে। বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট