শনিবার ব্যাংকক থেকে ঢাকায় পৌছবে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ

প্রকাশিত: ৪:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০১৯

শনিবার ব্যাংকক থেকে ঢাকায় পৌছবে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ

আগামীকাল শনিবার দেশের মাটিতে আনা হবে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ। বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের একান্ত সচিব এ কে এম সাজ্জাদ হোসেন শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আগামী শনিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ দেশে আনা হবে।

বৃহস্পতিবার ১০টার দিকে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ-১ থেকে নির্বাচিত হন। কিন্তু অসুস্থতার কারণে বৃহস্পতিবার তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করতে পারেননি।

১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্য তিন জাতীয় নেতার সাথে আশরাফুলের পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছিল। পিতার মৃত্যুর পর সৈয়দ আশরাফুল যুক্তরাজ্যে চলে যান।

দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে থাকা আশরাফ দেশে ফিরে ১৯৯৬ সালে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে পুনর্নির্বাচিত হন তিনি।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের পর তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক হন। তবে ২০১৬ সালে দলের সম্মেলনে এই পদ ছেড়ে দেন তিনি।

২০০৯ সাল থেকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন সৈয়দ আশরাফ। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করেন। এক মাস এক সপ্তাহ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী থাকার পর ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রাখা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন তাকে।

ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দ আশরাফুল ব্রিটিশ ভারতীয় শীলা ঠাকুরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। শীলা লন্ডনে শিক্ষকতা করতেন। ২০১৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সৈয়দ আশরাফুলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি প্রায়ই অসুস্থ হন। তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট