শত্রুুও স্বীকার করবে শেখ হাসিনার উন্নয়ন : ড. মোমেন

প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮

শত্রুুও স্বীকার করবে শেখ হাসিনার উন্নয়ন : ড. মোমেন

সিলেট-১ আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের কথা শেখ হাসিনার শত্রুও স্বীকার করবে। স্বাধীনতার পরবর্তী ৩৮ বছরে যা উন্নয়ন হয়েছে, গত ১০ বছরে তারচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে সিলেটসহ সারাদেশে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন দূশ্যমান। তিনি যা বলেন, তাই করেন। তাই শেখ হাসিনার উপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আনুগত্য দেখিয়ে বিএনপি থেকে বড় বড় নেতারা আওয়ামী লীগে চলে আসছেন। বিএনপিতে ভালো মানুষের মূল্যায়ন নাই। দলটিও ভালো না। তাই দেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রার প্রতীক নৌকায় সবাই পা রাখছেন।

তিনি সিলেটের কৃতি সন্তান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমদ চৌধুরী, বীর উত্তম শমসের মবিন চৌধুরী, কুলাউড়ার সাবেক এমপি এমএম শাহিনের দল ছাড়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, এই দেশের কল্যাণ একমাত্র আওয়ামী লীগ দ্বারাই সম্ভব বলে তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আশ্রয় নিয়েছেন। বিএনপি এখন ক্রমেই ছোট দলে পরিণত হয়ে আসছে। কারণ, তাদের লোকগুলো সব দল ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসছে। কেউ কেউ অন্য দলেও যাচ্ছেন। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্ণীতিবাজ দল বিএনপির উপর মানুষের আস্থা নাই। এই দলকে প্রত্যাখান করে নৌকা মার্কাকে ৩০ ডিসেম্বর বিপুল ভোটে জয়লাভ করে শেখ হাসিনার উন্নয়নকে আরো ত্বরান্বিত করতে তিনি সবার প্রতি আহান জানান।

সোমবার বিকেলে নগরের লামাবাজার ও কুয়ারপাড়ে গণসংযোগ ও নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন। লামাবাজার শ্যাম সুন্দর লেনে নির্বাচনী পথসভায় সভাপতিত্ব করেন ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম ঝলক।

সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আফসার আজিজের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিরের সদস্য রুহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আরমান আহমদ শিপলু, মহানগর কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রকিব বাবলু, শ্যাম সুন্দর আখড়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার নন্দী, ভাতালিয়া সেন্টার কমিটির আহবায়ক সালা উদ্দিন বক্স সালাই, পিডিবি স্কুল সেন্টার কমিটির আহবায়ক আসাদ আহমদ, আব্দুল করিম, শরিফ আহমদ, শিউলি আক্তার, মনোয়ারা বেগম।

নির্বাচনী পথসভা শেষ করে কুয়ারপাড় এলাকায় গণসংযোগ করেন ড. একে মোমেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট