২য় দফা সংলাপে মুখের কথা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে লিখিত অঙ্গিকার করতে হবে : মান্না

প্রকাশিত: ৫:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০১৮

২য় দফা সংলাপে মুখের কথা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে লিখিত অঙ্গিকার করতে হবে : মান্না

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ২য় দফা সংলাপে মুখের কথা নয়, প্রধানমন্ত্রী লিখিত অঙ্গিকার করতে হবে। আর সংসদ রেখে এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় সরকারের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, ‘যখন কোনো স্বৈরাচার সরকার প্রতিপক্ষের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় তখন বুঝতে হবে আমরা জয়ের মুখোমুখি।

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ের আন্দোলনে আমরা জয়ের মুখোমুখি। সেই লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি। সরকার দূর্বল হচ্ছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং জয়লাভ করবে।’

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বেগম জিয়ার নেতৃত্ব দেয়ার কথা সেখানে তিনি মিথ্যা মামলায় কারাগারে রয়েছে। অবিলম্বে তাঁর মুক্তির দাবি করছি।’

সরকার ২য় দফা সংলাপে ব্যর্থ হলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আমাদের সংলাপ ও আন্দোলন একসাথে চলবে।সরকার সংলাপে ব্যর্থ হলে সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।’

জনসভাকে কেন্দ্র করে সরকার সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছে অভিযোগ করে আলাল বলেন, ‘অনেক সময় গড়িয়ে গেছে, ১০ বছর চলে গেছে, নির্বাচনও ঘনিয়ে এসেছে তবুও সরকার এই জনসভাকে কেন্দ্র করে বাস, ট্রাকসহ সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছে, তারপরও জনসভার এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে এই সরকারের প্রতি জনগণের কোনো আস্থা নেই।’

নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। তাছাড়াও দেশে কোন অর্থবহ নির্বাচন হবে না, জনগণও মেনে নেবে না।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরেরর সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর এ্যানীর সঞ্চালনায় জনসভায় গণফোরাম সভাপতি ড.কামাল হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, আলতাব হোসেন, বেগম সেলিমা রহমান, মো. শাজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক,হা বিবুর রহমান হাবিব, ড. সুকোমল বড়ুয়া, আব্দুল আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ প্রমুখ উপস্থিত আছেন।

এছাড়াও উপস্থিত আছেন বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম, তকদির হোসেন মো. জসিম, আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, কামরুদ্দিন এহিয়া খান মজলিস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সহ-সভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, নাজমুল হাসান, জহুরুল ইসলাম বিপ্লব, সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ।