মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি

প্রকাশিত: ৭:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি

পরিমাণের অতিরিক্ত চা পাতা উত্তোলনে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ন্যাশনাল টি কোম্পানি (এনটিসি) এর মালিকানাধীন ৪টি চা বাগানে শ্রমিকরা ৩ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন সহস্রাধিক চা শ্রমিক পাত্রখোলা, কুরমা ও চাম্পারায় চা বাগান ও দুটি ফাঁড়ি চা বাগানে কর্মবিরতি পালন করেন।

চা শ্রমিকরা জানান, নির্ধারিত দৈনিক ২৩ কেজি চা পাতা উত্তোলনের পর অতিরিক্ত চা পাতা উত্তোলনে কেজি প্রতি শ্রমিকদের অতিরিক্ত ৩ টাকা হারে মজুরি প্রদান করা হয়। অতিরিক্ত চা পাতা উত্তোলনে কেজি প্রতি ৪ টাকা হারে মজুরি দেওয়ার দাবি জানান। এই দাবিতে পাত্রখোলা, কুরমা ও চাম্পারায় চা বাগানের ফাঁড়ি বাঘাছড়া ও কুরঞ্জি চা-বাগানে চা শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে।

নারী শ্রমিকরা বাগানের অফিসের প্রধান ফটক এলাকায় অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করে।

পাত্রখোলা চা-বাগানের পঞ্চায়েত সভাপতি দেবাশিষ চক্রবর্তী, কুরমা চা-বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নারদ পাশী জানান, এ অঞ্চলে একজন নারী চা শ্রমিককে প্রতিদিন কমপক্ষে ২৩ কেজি কাঁচা চা পাতা উত্তোলন করতে হয়। এজন্য দৈনিক মজুরি হচ্ছে ১০২ টাকা। আর ২৩ কেজির অতিরিক্ত প্রতি কেজি চা পাতার জন্য তিন টাকা করে মজুরি দেওয়া হতো। অতিরিক্ত প্রতি কেজি চা পাতার জন্য আইনে দ্বিগুণ মজুরি দেওয়ার কথা। সেই মজুরি না পাওয়ায় ৪ টাকা করে প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে। পরে ডিজিএমসহ চা বাগানের ব্যবস্থাপকরা বাড়তি প্রতি কেজি চা পাতা উত্তোলনে ৩ টাকা ৯০ পয়সা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করলে দুপুর ১২টায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে শ্রমিকরা।

এনটিসি’র ডিজিএম মাহমুদ হাসানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবস্থাপক বলেন, শ্রমিকদের এক টাকা দাবির প্রেক্ষিতে নব্বই পয়সা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। পরে শ্রমিকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দিয়েছেন।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট