ফের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা

প্রকাশিত: ২:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৫, ২০১৮

ফের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আজও আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার দুপুরের দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের দিকে আসতে থাকে। মিছিলটি জিগাতলার জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালের সামনে আসলে পুলিশ তাদরে বাধা দেয়। এসময় মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা, পরে পুলিশ টিয়ার শেল ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এর কিছু পরে তারা ফের জড়ো হয়ে ধানমন্ডি লেকের পাশের রাস্তা দিয়ে কার্যালয়ের দিকে আসতে চাইলে আবারো তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ।

পুলিশ জানান, রোববার দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীরা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে আসতে চাইলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে আজও তারা হামলার উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে আসছিলো।

এসময় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

পরে বেলা দেড়টার দিকে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আসেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এর আগে শনিবার দুপুর দুইটার দিকে শতাধিক শিক্ষার্থী ধানমন্ডির ৩/ এ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকে। এসময় উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের বুঝানোর চেষ্টা করলেও তারা ইট পাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে। বেলা তিনটার দিকে একদল গুলিবর্ষণ করতে করতে কার্যালয়ে দিকে আগাতে থাকে। আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী ও পুলিশ তাদের ধাওয়া করলে তারা ঝিগাতলার দিকে সরে যায়। এরপর থেকে সংঘবদ্ধ হয়ে বারবার তারা আওয়ামী লীগের অফিসের দিকে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করছে।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে ৬টার দিকে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে বিজিবি ফটকের কাছে এই অবস্থান নেয়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনেও নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়ে আছে। রাস্তায় ইট-লাঠি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। স্টার রেস্তোরাঁর কাছেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হচ্ছে। সেখানে সড়কে দুটি মোটর সাইকেল জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। সায়েন্স ল্যাবরেটরির সামনে লাঠি হাতে ৪০/৫০ জন যুবক অবস্থান নেয়। কেউ ছবি তুললে তাদেরও মারধরও করতে যায় তারা। সেখানে পুলিশ থাকলেও তাদের কোনো তৎপরতা ছিলোনা।

পরে শনিবার সন্ধ্যায় এ বিষয় আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, হামলায় আহতরা জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। আহত ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এতদিন ধরে আন্দোলন চলছে এতে এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা চাপ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেনি।

  •