গণতন্ত্র না থাকলে বিএনপি যত্রতত্র মিথ্যাচার করতে পারতো না : কাদের

প্রকাশিত: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০১৮

গণতন্ত্র না থাকলে বিএনপি যত্রতত্র মিথ্যাচার করতে পারতো না : কাদের

দেশে গণতন্ত্র না থাকলে বিএনপি নেতারা যত্রতত্র মিথ্যাচার করতে পারতো না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের স্মরণে এই আলোচনায় অংশ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বিএনপির কঠোর সমালোচনা করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি গণতন্ত্র না থাকত, তাহলে বিএনপির নেতারা প্রকাশ্য অগণতান্ত্রিক, অশ্রাব্য ভাষায় শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে গালিগালাজ করতে পারতো না। এ সব অশ্রাব্য মিথ্যাচার করার পরও পল্টন অফিসের সাংবাদিক সম্মেলন বন্ধ করেনি, পুলিশ হস্তক্ষেপ করেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘টকশো গিয়ে তাদের নেতারা যে ভাষায় ব্যবহার করেন, এখানে আমরা বিরোধী দলে থাকলে টকশো করার পর তারা রাস্তায় আটকাতো। তবে আমরা তা পারি না। তারা স্বাধীনভাবে কথা বলছেন, তারপরও তারা বলছেন দেশে গণতন্ত্র নাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভোর ৫ টায় ও ফোন ধরেন নামাজে না থাকলে। তিনি শুধু বঙ্গবন্ধুর কন্যা নয়, তিনি একজন উপযুক্ত নেত্রী। আমাকে দিয়েই চিন্তা করুন। জেল খেটেছি, ত্যাগ করেছি তার মূল্যায়ন তিনি (শেখ হাসিনা) করেছেন। শেখ হাসিনা না থাকলে আমি দলের সাধারণ সম্পাদক হতাম কি না জানা নাই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতিতে লেগে থাকুন, দলের জন্য পরিশ্রম, কষ্ট করুন, ত্যাগ করুন বৃথা যাবে না। শেখ হাসিনা যতদিন আছেন ততদিন কর্মীর মূল্যায়ণও আছে।

জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবলীগ নেতাদের কাদের বলেন, ‘সব জনমত জরিপ শেখ হাসিনার কাছে জমা আছে। আপনাদের মধ্যে কেউ যদি নির্বাচনের জেতার মতো যোগ্যতা অর্জন করলে বঞ্চিত হবেন না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে আমার অনেক প্রশংসা করা হচ্ছে। এর মূ্ল্যায়ন হবে আগমী নির্বাচনে। যদি আওয়ামী লীগ না জিততে পারে তাহলে আজকের সকল প্রশংসা গালিতে পরিণত হবে। যারা আজ প্রশংসা করছে, তারা তখন বলবে ব্যর্থ সাধারণ সম্পাদক। জাতীয় নির্বাচনে জিতলেই কেবল সফল সাধারণ সম্পাদক হতে পারব।’

যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শহীদ সেরনিবায়াত, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, আমজাদ হোসেন, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, ফজলুল হক আতিক, যুব নেতা কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাট প্রমুখ।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট