সিসিক নির্বাচনে ধানের শীষের সমর্থনে সিলেট মহানগর বিএনপির কর্মীসভা

প্রকাশিত: ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০১৮

সিসিক নির্বাচনে ধানের শীষের সমর্থনে সিলেট মহানগর বিএনপির কর্মীসভা

সিলেট মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন- অবৈধ সরকার গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতেই ষড়যন্ত্রমুলক মামলার ফরমায়েসী রায়ে তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্তেও তাঁর চিকিৎসার উদ্যোগ গ্রহণ না করে গণতন্ত্রের মাতাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। আওয়ামীলীগের সকল জুলুমের বিচার বাংলার মাঠিতে একদিন হবেই হবে। দেশ ও জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে সিলেট সিটি নির্বাচন অনেক গুরুত্ব বহন করে। তাই সকল ভেদাভেদ ভুলে আসন্ন সিসিক নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয় ছিনিয়ে আনার মাধ্যমে আওয়ামী দুঃশাসনের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। সিসিক নির্বাচন নিয়ে অবৈধ সরকারের সকল ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) সিলেট মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কারান্তরীণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেয়া সাজা বাতিল ও মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে এবং আসন্ন সিসিক নির্বাচনে ধানের শীষের সমর্থনে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মী সভায় আসন্ন সিসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক। সভায় মহানগর এবং ২৭টি ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শহরতলীর খাদিমস্থ সুচনা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত সভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবী জানানো হয়। সভায় সিসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী করার জন্য সর্বস্থরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানানো হয়।
মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন- জাতির বৃহত্তর স্বার্থেই আমার নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আমাকে নির্বাচন করতে হচ্ছে। দেশ ও জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে এই নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় বাকশালীদের বিরুদ্ধে জনতার চুড়ান্ত রায়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। আমার দল উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার যে আশা নিয়ে আমাকে প্রার্থীতার সুযোগ দিয়েছে আমি তা পালন করতে অঙ্গিকারাবদ্ধ।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন- আওয়ামী বাকশালীরা গোটা দেশকে একটি বৃহৎ কারাগারে পরিনত করেছে। আওয়ামী দুঃশাসন থেকে দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ায় গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবৈধ সরকার কারাগারে আটকে রেখেছে। তাঁকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এর পরিনতি সরকারের জন্য ভাল হবেনা। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে তাঁর প্রয়োজনীয় সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। আসন্ন সিলেট সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বলেন- গণতন্ত্রের নেত্রীকে কারাগারে রেখে আমরা ভাল থাকতে পারিনা। দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য শহীদ জিয়ার সৈনিকদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। ৩০ জুলাই আসন্ন সিসিক নির্বাচনে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে নাসিম হোসাইন বলেন-অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকার আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি বিচারের নামে যে অবিচার করেছে এজন্য জাতি তাদের কখনো ক্ষমা করবেনা। তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রীর জামিন নিয়ে সরকারের ষড়যন্ত্র জাতির কাছে পরিস্কার। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। আসন্ন সিলেট সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করতে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে।
মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ আশরাফ আলীর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সহ-সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির শাহীন, সালেহ আহমদ খসরু, আব্দুস সাত্তার, জিয়াউল হক জিয়া, আব্দুর রহিম, মুফতী বদরুন নুর সায়েক, অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, বাবু নিহার রঞ্জন দে, আব্দুল ফাত্তাহ বকশী, আমির হোসেন, উপদেষ্ঠা আহাদুস সামাদ, সৈয়দ বাবুল, ইসরাইল মিয়া, সাঈদুর রহমান বুদুরি, সরফরাজ আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম সিদ্দিকী, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, আব্দুল আজিজ, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, মুকুল মোর্শেদ, দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, প্রকাশনা সম্পাদক জাকির মজুমদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জাহানারা ইয়াসমিন গোলাপী, শ্রম সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, পরিবেশ সম্পাদক আবুল কালাম, আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, শিল্প সম্পাদক আব্দুল হাদী মাসুম, বানিজ্য সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মামুন, সমাজকল্যান সম্পাদক আব্দুল কাহির, কৃষি সম্পাদক আব্দুল মান্নান পুতুল, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আব্দুল জব্বার তুতু, অর্থনৈতিক সম্পাদক মোশতাক আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক লুৎফুর রহমান, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা নিগার সুলতানা ডেইজী, জাসাস এর সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন মাসুম, মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, সহ-মহিলা সম্পাদিকা মিনারা হোসেন, সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক সোহেল বাসিত, সহ-যোগাযোগ সম্পাদক উজ্জল রঞ্জন চন্দ, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক কয়েস আহমদ সাগর, মহানগর নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে সেলিম খান জালালাবাদী, জিয়াউর রহমান দিপন, শফিকুর রহমান টুটুল, মাহমুদ আলী সাধু, শেখ কবির আহমদ, আমিনুর রশীদ খোকন, আলাউর রহমান লয়লু, নাজিম উদ্দিন, আব্দুস সোবহান, আলী হোসেন মুক্তার, সৈয়দ মো: জাহাঙ্গীর আলম, তারেক আহমদ খান ও সৈয়দ ফয়েজ আহমদ শিপু প্রমুখ।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট