বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন নয় : ড. খন্দকার মোশাররফ

প্রকাশিত: ২:১৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৮

বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন নয় : ড. খন্দকার মোশাররফ

সিলেট সংবাদ রিপোর্ট : বিএনপি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে আগামীতে কোনো নির্বাচন হবে না এবং হতে দেয়া হবে না বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সিলেট বিভাগীয় বিএনপির এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, ক্ষমতাসীন সরকার ভেবেছিল বেগম খালেদা জিয়াকে জেলখানায় বন্দি রেখে বিএনপিকে দুর্বল করা যাবে। কিন্তু তাদের সেই আশা ব্যুমেরাং হয়েছে। তিনি সরকারকে অবিলম্বে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে বলেন, আমাদের ‘এক দফা এক দাবি, স্বৈরাচার তুই কবে যাবি?’, ‘এক দফা এক দাবি, হাসিনা তুই কবে যাবি?’, ‘শেখ হাসিনার সময় শেষ, খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ’। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট জেলা রেজিস্ট্রার মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সিলেট বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। : দলের নেতাকর্মীদেরকে আগামীদিনে আন্দোলনের জন্য আবারো প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই বেগম খালেদ জিয়াকে মুক্ত করা হবে এবং তার নেতৃত্বেই বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। সরকার ফের একদলীয় নির্বাচন করতে চায় মন্তব্য করে ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার বিএনপি এবং বেগম খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে আবারো ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একতরফা নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু ওই নির্বাচন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। সুতরাং বর্তমান সরকার অনির্বাচিত এবং সংসদ অবৈধ। কেননা এই সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে নিয়ম ও সংবিধান রক্ষার নির্বাচন বলে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। বিদেশি বন্ধুদের সাথেও প্রতারণা করেছে। এজন্যই সরকার জনগণকে ভয় পায়। কিন্তু জনগণ ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের পাত্তা থাকবে না। তাদেরকে জনগণ বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করবে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, সরকার ভেবেছে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে বিএনপিকে দুর্বল করা যাবে। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন ব্যুমেরাং হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া আজকে দেশনেত্রী থেকে বিশ্বনেত্রী উপাধি পেয়েছেন। আজকে তাকে নিয়ে শুধু দেশবাসী নয় বিশ্ব নেতৃবৃন্দও উদ্বিগ্ন। তিনি আজকে দেশনেত্রী থেকে দেশমাতা উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। : দলের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি দুর্বল হয়নি। বরং আমরা নেতৃবৃন্দ আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শ ও নির্দেশে আমরা দল পরিচালনা করছি। তিনি বলেন, সরকার বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও প্রশাসনকে ধ্বংস করে ফেলেছে। এই সরকার গুম, খুন, অপহরণ এবং টাকা লুট করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বৈরাচারের স্বীকৃতি পেয়েছে। সিলেটের কৃতি সন্তান বিএনপির নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলী প্রসঙ্গে ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, আজ পর্যন্ত ইলিয়াস আলীর সন্ধান নেই। তিনি বলেন, আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই গণতন্ত্র মুক্তি আন্দোলন করবো। : কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, আজকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ লেলিয়ে দেয়া হচ্ছে। আক্রমণ করা হচ্ছে। দেশকে মেধাশূন্য করা হচ্ছে। আসলে কোটা সংস্কার আন্দোলন যৌক্তিক। এ ব্যাপারে আমাদের চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুই বছর আগে ‘ভিশন-২০৩০’ তে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই সরকার বরাবরাই আমদের কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ভয় পায় বলে তাকে অন্ধকার কারাগারে নিক্ষেপ করেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে পিজি হাসপাতালে এনেছিল। তার বিন্দু মাত্র মনোবল ভাঙ্গেনি। ম্যাডাম খালেদা জিয়া বলেছেন গণতন্ত্র উদ্ধার করতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে। : বিএনপির এই নেতা বলেন, স্বৈরাচার আর গণতন্ত্র এক সাথে চলতে পারে না। এ স্বৈরাচারী সরকার যত গুম-খুন, দুর্নীতি করেছে তার জবাব দিতে হবে। তার এত অপরাধ করেছে তার ভয়ে তারা কম্পমান। শেখ হাসিনা ও এই সরকারের অত্যাচার হিটলারকেও ছাড়িয়ে গেছে। স্বৈরাচার বেশিদিন টিকতে পারে নাই। এরাও পারবে না। এদের পতন ঘটিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বন্দি মানে গণতন্ত্র বন্দি। আমরা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। আইনিভাবে বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে দুই মাস আগেই মুক্তি পেতেন। তাকে মুক্ত করতে হলে যারা তাকে বন্দি করে রেখেছে তাদের পতন ঘটাতে হবে। তবে আমাদের শান্তির বাণী অশান্তির নেত্রীর কাছে পৌঁছাবে না। যারা অন্যায়ভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন গুম-খুন ও দুর্নীতি করছে, ব্যাংক ডাকাতি করে তাদেরকে হঠাতে হবে। এরশাদকে যেভাবে পতন ঘটানো হয়েছিল শেখ হাসিনাকে হটাতে সে পথে যেতে হবে। অন্যথায় গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না। : বিএনপির এই নেতা বলেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ৪ হাজার কোটি টাকা কোনো ব্যাপারই না। অথচ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দুই কোটি টাকার মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকার বিএনপিকে নিয়ে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। ওবায়দুল কাদের বলছেন বিএনপি কে চালায়। বিএনপি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে দল পরিচালিত হচ্ছে। মুক্ত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে যাবে। তবে সে নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব থাকবে না। নেতেৃত্বে থাকবে জনগণ। সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থাকবে না। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এই বিশাল জনসভা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আন্দোলন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই সরকারের ভিত্তি নাই। তারা অবৈধ পন্থায় সরকার গঠন করেছে। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র যেভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তেমনি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে হারানো গণতন্ত্র পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করবো। আওয়ামী লীগকে বলবো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাদ দিয়ে রাজপথে আসুন, আমরা আপনাদের রাজপথে মোকাবিলা করবো। আজকের শপথ হোক বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গণতন্ত্রের মাকে আজকে সরকার বন্দি করে রেখেছে। গণতন্ত্রের মা কি কারাগারে থাকতে পারে? গণতন্ত্র সাগরের মতো সাগরকে কেউ বাধ দিয়ে আটকিয়ে রাখতে পারে না। সাগর আজকে জেগে উঠেছে। সাগরের এই পানি দুর্নীতিবাজ আর খুনিদের ভাসিয়ে দেবে। বিএনপিকে সভা সমাবেশ করার অনুমতি না দেয়ায় সরকারের কঠোর সমালোচনা করে আমির খসর বলেন, সিলেটবাসী এখানে কেন সমাবেশ করবে, বিএনপির সমাবেশ আরও বড় জায়গায় হওয়ার কথা ছিল। সিলেটে এসে শুনলাম রেজিস্ট্রি মাঠেও নাকি অনুমতি দেয়া হয়নি। আপনারা সিলেটবাসী ঐক্যবদ্ধ আছেন বলে তারা সমাবেশ করতে দিতে বাধ্য হয়েছে। : তিনি বলেন, সভা সমাবেশ করা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার কারও দয়ার ওপর এটা নির্ভর করে না। সংবিধান আমাদেরকে এ অধিকার দিয়েছে। : সরকার জনগণের সকল অধিকার নিয়ন্ত্রণ করছে দাবি করে বিএনপি সরকারের সাবেক এই বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতিটি অধিকার নিয়ন্ত্রণ করছে এই অবৈধ সরকার। দুর্নীতিকেও একদলীয় করছে, তারা আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ দুর্নীতিও করতে পারবে না। : তিনি আরও বলেন, কয়েক বছর আগে আমাদের নেত্রী মাজার জিয়ারত করতে আসায় তাকে স্বাগত জানিয়ে আপনারা সিলেটবাসী আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। আপনাদেরকেই এটার সমাপ্তি করতে হবে। : বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সিলেটে জনতার ঢল : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সিলেট বিভাগীয় সমাবেশে জনতার ঢল নামে। গতকাল মঙ্গলবার পুলিশি বাধা, হামলা গ্রেফতার উপেক্ষা করে জনসভায় যোগ দেয় বিএনপি, যুবদল,ছাত্রদল ও সহযোগী সংগঠনের লাখো নেতাকর্মীরা।

সিলেট মহানগর ও জেলা, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, সিলেট দক্ষিণ উপজেলা, গোলাপগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ, ওসমানী নগর, সদর উপজেলা, জৈন্তাপুর, গোয়াইন ঘাট, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, বিয়ানী বাজার, ছাতক, দোয়ারা, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, সাল্লা, দিরাই, কমলগঞ্জ, ঝুড়ি, বড় লেখা থেকে জনগণ দুপরের আগেই মাঠপ্রাঙ্গণে আসতে থাকে। অনেকে আবার আগের দিন বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেও সিলেট শহরে অবস্থান নেয়। দুপুর ২টার আগেই নেতাকর্মীরা মাঠে প্রবেশ করতে থাকে। এক সময় রেজিস্ট্রার মাঠ ছাপিয়ে পুরো এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। সমাবেশস্থলে উপস্থিত হওয়া সকলেই ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মুক্তি চাই’, ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘আমার নেত্রী আমার মা বন্দি থাকতে দিবো না’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে।

সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান সেলিম ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী, মোঃ শাহজাহান, বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুল হক আসপিয়া, এনামুল হক চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন জীবন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, দিলদার হেসেন সেলিম, কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির সদস্য শাম্মী আক্তার, এম নাসের রহমান, আলহাজ সুফিয়ান, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এম নুরুল হক, সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কায়সার আহমেদ ঝন্টু, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল গফফার, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, শাহজামাল নুরুল হুদা, মহানগর সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, সিসিক প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সুনামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, মৌলভী বাজার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জিকে গউজ, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান, সিলেট মহানগর সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম সিদ্দিকী, সৈয়দ মঈনুদ্দিন সোহেল, কাউন্সিলার দিনার খান হাসু, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলার সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, জেলা সাংগঠনিক আব্দুল আহাদ খান জামাল, মহানগর সাংগঠনিক মাহবুব চৌধুরী, জেলা সাংগঠনিক আবুল কাশেম, শামীম আহমদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম সিলেটের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক সালেহ আহমদ খসরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের মহানগর আহবায়ক ফরহাদ চৌধুরী শামীম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক নাজিম উদ্দিন লস্কর, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মামুন রশিদ, সিলেট মহানগর মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী মিনারা বেগম, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সালেহা কবির সেপী, যুবদল নেতা নজিবুর রহমান নজীব, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমেদ, সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ মিয়া প্রমুখ।

এছাড়াও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ হক, সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম, জেলা বিএনপির সদস্য এটিএম বেলায়েত হোসেন মোহন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সাজু, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মাজহারুল ইসলাম ডালিম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুল আজিজ, সিলেট জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ডাঃ আরিফ আহমেদ মোমতাজ রিফা, দফতর সম্পাদক এড. ফখরুল হক, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নিজাম ইউ জায়গীরদার, মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, জেলা বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক এড. আল আসলাম মুমিন,ক্রীড়া সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-প্রচার সম্পাদক বুরহান উদ্দিন, সহ-দফতর সম্পাদক এম এ মালেক, দিদার লশকর, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, মহানগর সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক সোহেল মাহমুদ, সিলেট জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাহাত চৌধুরী মুন্না, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লিটন আহমদ, ছাত্রদল নেতা ইকবাল হোসেন আসিফ, আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং কাবের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আহমেদসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের লক্ষাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

 

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট